Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শোলাকিয়ায় ঈদের নামাজে লাখো মানুষের ঢল

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চার স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হয়ে মুসল্লিদের ঈদগাহ মাঠে ঢুকতে হয়

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২২, ১২:০২ পিএম

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া মাঠে ঈদ-উল-আজহার ১৯৫তম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টায় ঈদের নামাজ শুরু হয়। নামাজে অন্তত লক্ষাধিক মুসল্লি অংশ নেন।

এতে ইমামতি করেন মাওলানা হিফজুর রহমান। নামাজ শেষে যুদ্ধবিগ্রহ ও করোনাভাইরাসমুক্ত বিশ্ব, দেশের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। 

এর আগে মুসল্লিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ঈদগাহ কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম, পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ ও পৌর মেয়র মাহমুদ পারভেজ।

ঈদের জামাতকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় শোলাকিয়া ও আশাপাশের এলাকায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চার স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পার হয়ে মুসল্লিদের ঈদগাহ মাঠে ঢুকতে হয়। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির পরও স্বাস্থ্যিবিধির বিষয়টি ছিল অনেকটাই ঢিলেঢালা।  মাস্ক পরে, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মাঠে প্রবেশের নির্দেশনা থাকলেও অনেককে মাস্ক ছাড়াই মাঠে যেতে দেখা যায়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, এবার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি ছিল না। তারপরও শোলাকিয়ার গুরুত্ব বিবেচনায় রেখে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। এখানে নামাজ পড়তে এসে মুসল্লিরা যেন নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় না থাকেন, তাদের মধ্যে কোনো অস্বস্তি না থাকে, সেভাবেই তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

ভোর থেকেই ঈদগাহ মাঠে আসতে থাকেন মুসল্লিরা। ৯টার আগেই ভরে যায় মাঠ। প্রতিবারের মতো এবারও মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধায় দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে রেল কর্তৃপক্ষ। একটি ট্রেন ভৈরব থেকে, অন্যয়টি ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জে যায়। ঈদগাহ এলাকায় কয়েকটি মেডিকেল টিম ও ফায়ার সার্ভিসের একটি দল মোতায়েন ছিল। স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বে ছিলেন বিপুল সংখ্যক স্কাউট সদস্য। 

শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম বলেন, লক্ষাধিক মুসল্লি এবার শোলাকিয়ায় ঈদ-উল-আজহার নামাজ পড়েছেন। ঈদগাহ কমিটির পক্ষ থেকে আগত মুসল্লিদের সবধরণের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। সবমিলে এখানে যে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল, তা সত্যি মুগ্ধ হওয়ার মতো। 

কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ বলেন, দিনরাত পরিশ্রম করে পৌরসভার পক্ষ থেকে মাঠটি নামাজের উপযোগী করা হয়। তাছাড়া দূর-দূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের আতিথ্য ও তাদের প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের আন্তরিকভাবে সচেষ্ট ছিলাম।

About

Popular Links