Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাগেরহাটে লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি চরমে

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে দৈনন্দিন কাজকর্ম, কারখানার উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বাগেরহাটে দিনে অন্তত চারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে যা আরও বেশি

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২২, ০১:০৮ পিএম

বৈশ্বিক জ্বালানি পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এলাকাভিত্তিক শিডিউল অনুযায়ী লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত অনেক জায়গায় মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে এই অভিযোগ সবচেয়ে বেশি ছিল। এবার দেশের দক্ষিণ অঞ্চলেও এই সমস্যা প্রকট হচ্ছে বলে জানা গেছে।

দক্ষিণের জেলা বাগেরহাটে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে দৈনন্দিন কাজকর্ম, কারখানার উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বাগেরহাটে দিনে অন্তত চারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে যা আরও বেশি।

বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জানিয়েছে, তাদের দৈনিক ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চলীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা প্রতিদিন প্রায় ২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতির কথা জানিয়েছে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নেতা শেখ বশিরুল ইসলাম বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে বলেন, “আমাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ প্রয়োজন। ব্যবসায়িক এলাকাগুলোকে লোডশেডিংয়ের আওতার বাইরে রাখতে হবে।”

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাট ১৩২/৩৩ কেভি পাওয়ার সাবস্টেশনে জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। ওই সাবস্টেশনটি বাগেরহাট জেলা এবং পিরোজপুরের সদর, নাজিরপুর ও ইন্দুরকানি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। অফিস-কারখানা চলাকালীন ওই সাবস্টেশনের বিদ্যুতের চাহিদা ৯৮ মেগাওয়াটে থাকে। কিন্তু তাদের ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মেগাওয়াট।

বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ নুরুল হোসেন জানান, তাদের মোট গ্রাহক রয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার জন। ৬১টি ফিডারের মাধ্যমে তাদের গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। দৈনিক চাহিদা ৭০ থেকে ৭৫ মেগাওয়াট হলেও গ্রাহকরা পাচ্ছেন মাত্র ৫০ মেগাওয়াট। ফলে দিনে অন্তত চারবার লোডশেডিং করাতে হচ্ছে।

বাগেরহাট পশ্চিমাঞ্চলীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থার নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জানান, তাদের সাড়ে আঠারো হাজার রয়েছে। দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ৭.৫ মেগাওয়াট, কিন্তু তারা পাচ্ছেন মাত্র ৫ মেগাওয়াট।

About

Popular Links