Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঢাবি ছাত্রী এলমার মৃত্যু: স্বামীর বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মৃত্যুর দিন মেঘলা বাইরে যেতে চাইলেও ইফতেখার তাকে যেতে বাধা দেয় ও তাকে কটূক্তি ও শারীরিক নির্যাতনের পর একটি কক্ষে আটকে রাখে, একপর্যায়ে মেঘলা রুমের ভেতরে আত্মহত্যা করে

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২২, ০৭:৫৮ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নৃত্যকলা বিভাগের ছাত্রী এলমা চৌধুরী ওরফে মেঘলার মৃত্যুর ঘটনায় তার স্বামী কানাডা প্রবাসী ইফতেখার আবেদীনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ এনে আদালতে দেওয়া চার্জশিট গৃহীত হয়েছে।

বুধবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর ছিদ্দিক এই আদেশ দেন।

তবে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) আবেদন গ্রহণ করে আদালত অভিযুক্ত তালিকা থেকে ইফতেখারের বাবা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোঃ আমিন ও মা শিরিন আমিনের নাম বাদ দেন।

এদিকে মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় পরবর্তী বিচারের জন্য বদলির আদেশ দিয়ে সিএমএম বরাবর নথি পাঠান বিচারক।

আরও পড়ুন- ঢাবি ছাত্রীকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

মেঘলাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবির পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম গত ৩১ মে ইফতেখার আবেদিনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মৃত্যুর দিন মেঘলা বাইরে যেতে চাইলেও ইফতেখার তাকে যেতে বাধা দেয় ও তাকে কটূক্তি ও শারীরিক নির্যাতনের পর একটি কক্ষে আটকে রাখে। একপর্যায়ে মেঘলা রুমের ভেতরে আত্মহত্যা করে।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ইলমার বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ১৫ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করেন। 

আরও পড়ুন- ডিবি: ঢাবি ছাত্রী ইলমাকে হত্যা করা হয়নি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন

মামলায় ইলমার স্বামী ইফতেখার আবেদীন, তার মা শিরিন আমিন ও ইফতেখারের পালক বাবা মো. আমিনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ইফতেখারকে তিন দফায় সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

মামলার সাইফুল ইসলাম চৌধুরী অভিযোগ করেন, চলতি বছরের এপ্রিলে ইলমার সঙ্গে ইফতেখারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ইফতেখার ও তার মা-বাবা ইলমাকে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে বলেন। ইলমা পড়া বন্ধ করতে না চাওয়ায় ইফতেখার ও তার মা-বাবা মিলে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। একপর্যায়ে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়। বিয়ের তিন মাস পর ইফতেখার কানাডায় চলে যান। এরপর ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফেরেন ইফতেখার। 

এর দুই দিন পর ১৪ ডিসেম্বর এলমার মায়ের মুঠোফোনে কল করে ইফতেখার বলেন, তার মেয়ে গুরুতর অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। তাদের আসতে বলেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সন্দেহজনক আচরণ দেখে মেয়ের লাশ পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। এ সময় ইলমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন পাওয়া গেলে তিনি মামলা করেন।

About

Popular Links