Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাণিজ্যমন্ত্রী: শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর দাবি যৌক্তিক

টিপু বলেন, শ্রমিকদের ঘামের মূল্য রক্তের চেয়ে কম নয়, শ্রমিক ও মালিকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় পোশাক খাত আজ বর্তমান অবস্থানে পৌঁছেছে

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৫৯ পিএম

বতর্মান পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর দাবি যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেন, “রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে ও বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শ্রমিকদের। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবি ন্যায্য। এর জন্য একটি মজুরি কমিশন গঠন করা ও শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয়, পণ্যের দাম, উত্পাদন ব্যয়ের সামগ্রিক দিকগুলোর উপর একটি সমীক্ষা করা প্রয়োজন।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের ১৬তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

টিপু বলেন, শ্রমিকদের ঘামের মূল্য রক্তের চেয়ে কম নয়। শ্রমিক ও মালিকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় পোশাক খাত আজ বর্তমান অবস্থানে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, “শ্রমিক ও মালিক উভয়ের স্বার্থ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির পাশাপাশি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”

টিপু মুনশি/সংগৃহীত

টিপু বলেন, মালিকদের আয় ও বর্তমান বেতন কাঠামো মূল্যায়ন করে বেতন আলোচনা করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, সময় এসেছে ওয়েজবোর্ড আলোচনার মাধ্যমে পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক সংগঠন ও নেতাদের শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি বলেন, “তাদের শ্রমিকের স্বার্থ ও মালিকদের স্বার্থ দুটোই দেখতে হবে। কোম্পানি না বাঁচলে শ্রমিক বা মালিক কেউই বাঁচবে না। সংগঠনের স্বার্থে সবাইকে কাজ করতে হবে। শ্রমিকদের স্বার্থে ট্রেড ইউনিয়ন হওয়া উচিত।”

মন্ত্রী বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিক সংগঠন থাকবে এটাই স্বাভাবিক। “আমি আশা করব উভয় পক্ষই দায়ী থাকবে। সরকার শ্রমিক ও নিয়োগকর্তাদের প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে।”

টিপু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশের এক কোটি পরিবার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে তেল, ডাল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্য পাচ্ছে।

তিনি বলেন, এর সঙ্গে চালও যোগ করার প্রক্রিয়া চলছে। এতে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ উপকৃত হচ্ছে। এই তালিকায় পোশাক খাতের একটি স্তর পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা সম্ভব হলে আমি খুব খুশি হব।”

About

Popular Links