Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ফরিদপুরে হঠাৎ বেড়েছে ‘চোখ ওঠা’ রোগ

কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও মাদ্রাসায় এর প্রভাব বেশি হওয়ায় কয়েকটি মাদ্রাসা এরইমধ্যে বন্ধ ঘোষনা করেছে কর্তৃপক্ষ

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৪১ পিএম

ফরিদপুরে হঠাৎ করেই কনজাংটিভাইটিস (চোখের প্রদাহ) রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। সব বয়সের মানুষই আক্রান্ত হচ্ছে এ রোগে। তবে শিশুদের আক্রান্তের সংখ্যা বেশি।

কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও মাদ্রাসায় এর প্রভাব বেশি হওয়ায় কয়েকটি মাদ্রাসা এরইমধ্যে বন্ধ ঘোষনা করেছে কর্তৃপক্ষ।

শহরের আদমপুর মাদ্রাসা ও এতিম খানায় একসঙ্গে শতাধিক শিশু শিক্ষার্থীর চোখ ওঠায় বাধ্য হয়ে মাদ্রাসাটি ছুটি ঘোষনা করা হয়।

আলীপুরের সালমান ফারসি (রা.) মাদ্রাসা ও এতিমখানার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার রাতে মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্ররা কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। এ সময় একসঙ্গে পনেরজন শিক্ষার্থী চোখে ব্যাথা অনুভব করে। চোখ পুরো লাল হয়ে যায়। তাদেরকে তখনই নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাই।

এদিকে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে সকাল থেকে প্রায় তিন শতাধিক রোগী এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। উপজেলার সকল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় একই অবস্থা বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. তানসিভ জুবায়ের।

বেশিরভাগ আক্রান্তরা বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ রোগের উপসর্গ সাধারণত তিন পর্যন্ত থাকে।

তবে আতঙ্কিত না হয়ে আক্রান্ত হয়ে নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান।

তিনি বলেন, সারা দেশের মত ফরিদপুরেও ব্যপক আকার ধারন করেছে চোখ ওঠা। এটি ব্যকটেরিয়া অথবা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে হয়ে থাকে। এটি ছোঁয়াচে হওয়ায় সংক্রমনের হার বাড়ছে।

তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, অবশ্যই এ রোগে আক্রান্ত হলে দূরে থাকতে হবে। এছাড়া আলাদা ও পরিস্কার কাপড় ব্যবহার করে চোখ পরিষ্কার রাখতে হবে। এক চোখ আক্রান্ত হলে অন্য চোখ যাতে আক্রান্ত না হয় এজন্য হাত ব্যবহার করা যাবে না। ভাল চোখে যাতে কোন ভাবেই আক্রান্ত চোখের কোনো কিছুর স্পর্শ না লাগে। 

আক্রান্ত হলে পরামর্শ হিসেবে তিনি বলেছেন, কম আলোতে থাকতে হবে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে আইড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে।

About

Popular Links