Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পুলিশকে কামড়ে হাতকড়াসহ আসামিকে ছিনিয়ে নিলো স্বজনেরা

এএসআই রবিউল বলেন, ঘটনাস্থলে আমরা ৪ থেকে ৫ জন পুলিশ সদস্য ছিলাম। নারী হওয়ায় আমরা কিছু করতে পারিনি

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:০১ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ মাদক মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইসমাইল হোসেন বয়াতি (৪৫) নামে ওই আসামির স্বজনেরা একজন সহকারী উপপরিদর্শকের হাতে কামড় দিয়ে এই ঘটনা ঘটান।

কামড়ে আহত কোম্পানীগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. রবিউল প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আসামি ইসমাইল হোসেন বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জামাইয়েরটেক এলাকার বাসিন্দা।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টায় উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জামাইয়েরটেক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসমাইল হোসেন বয়াতি পেশায় অটোরিকশাচালক। তিন বছর আগে রিকশা চালানো ছেড়ে দিয়ে বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। বুধবার দুপুরে জামাইয়েরটেক এলাকায় মাদক বিক্রি হচ্ছে এমন খবর পেয়ে এএসআই রবিউলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে বয়াতিকে ছাড়িয়ে নিতে তার পরিবারের কয়েকজন নারী ও পুরুষ এসে উপস্থিত হন।

একপর্যায়ে আসামিকে নিয়ে পুলিশ সদস্যরা থানায় উদ্দেশে রওনা হলে ঘটনাস্থলে এক নারী এএসআই রবিউলের হাতে কামড় দিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান। এই ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া আসামির মামা মোশারেফ (১৯), সৌরভ (২৪), মামাতো ভাই কালা (১৯) ও ইমনসহ (২৪) কয়েকজনকে আটক করেছে।

তবে রাত ৮টা পর্যন্ত পালিয়ে যাওয়া ইসমাইল হোসেন বয়াতিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

এএসআই রবিউল বলেন, “ঘটনাস্থলে আমরা ৪ থেকে ৫ জন পুলিশ সদস্য ছিলাম। নারী হওয়ায় আমরা কিছু করতে পারিনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান বলেন, “পালিয়ে যাওয়া বয়াতিকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি এলাকার চিহ্নিত মাদককারবারি। তার বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।”

About

Popular Links