Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী নারী সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা

শেখ হাসিনা টানা ১৪ বছর রাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসীন আছেন। নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও দারিদ্র্য নিরসনে তিনি দক্ষ নেতৃত্ব দিচ্ছেন

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৪:২১ পিএম

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী নারী সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা। তিনি রাশিয়ার মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলাসহ ২০ বারেরও বেশি বার হত্যা প্রচেষ্টার শিকার হয়েছেন তিনি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক কলামে এসব তথ্য জানানো হয়। সোমবার (৩ অক্টোবর) প্রকাশিত কলামে পেটুলা ডভোরাক লিখেন, “শেখ হাসিনা মোট ১৮ বছর রাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসীন আছেন। নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও দারিদ্র্য নিরসনে তিনি দক্ষ নেতৃত্ব দিচ্ছেন।”

কলামটি শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখতে যাওয়া এক ব্যক্তি ও তার ছয় বছর বয়সী সন্তানের একটি দৃশ্যের বর্ণনার মাধ্যমে।

প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাতিসংঘোর অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। সেখানে তাকে দেখার জন্য রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেকেই। 

আবদুল্লাহ নিয়ামি নামে একজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করে পেটুলা ডভোরাক বলেছেন, “নিয়ামি তার ৬ বছর বয়সী মেয়ে জোয়াকে ওপরে তুলে ধরেছিনে যেন তার মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখতে পান। ওই ব্যক্তি বলেছেন, শেখ হাসিনাকে শিগগিরই আর যুক্তরাষ্ট্রে দেখা যাবে না ভেবে তার মেয়ের ইচ্ছে পূরণ করেছেন তিনি।”

নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ হাসিনা ওয়াশিংটন ডিসিতে তার ৭৫তম জন্মদিন ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও তার ১৬ বছর বয়সী নাতনির সঙ্গে উদযাপন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “আমি জয়দের জন্য রান্না করেছি। ছেলের বাড়িতে তার রান্নাঘরে আমি তাদের জন্য চিকেন বিরিয়ানি রান্না করেছি। আমার ছেলের বাড়িতে আমার জন্য রান্নাঘর রয়েছে।”

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের দেওয়া বক্তব্য ধরে পেটুলা ডভোরাক লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছেন। শরণার্থী ক্যাম্পের জীবন দুর্বিষহ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে সাহায্য চেয়েছেন। শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা নাগরিকরা তাদের দেশে ফিরতে চায়।”

“শেখ হাসিনার দেশের অভিবাসী পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তুলনা করা ঠিক হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের মানচিত্র অনেক বড়। এখানে প্রচুর জমি এবং কাজের সুযোগ রয়েছে। তবে বাংলাদেশে যা সীমিত। জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে।”

নিবন্ধে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের জিরো-টলারেন্স নীতির প্রশংসা করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশি নারীদের সংগ্রাম ও অগ্রগতি নিয়েও বেশ প্রশংসা করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী পেটুলা ডভোরাকে বলেছেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্যপীড়িত নারীদের জীবনসংগ্রাম একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি নিজের জীবন থেকেও বোঝেন।

গত এক দশকে তার সরকার উল্লেখযোগ্যভাবে দেশে দারিদ্র্য হ্রাস করেছে, শিক্ষার সুযোগ বাড়িয়েছে এবং উন্নত আবাসনের ব্যবস্থা করেছে। নিবন্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির জন্য বেশি নম্বর প্রদানকারী বিশ্বব্যাংককে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, এটি ১৯৭১ সালে স্বাধীন হওয়ার সময়ে সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি থেকে ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছায়।

About

Popular Links