Saturday, June 15, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চাকরি হারিয়ে দোকানে কাজ, ৩৫টির বেশি চাকরির প্রস্তাব শরীফের হাতে

চাকরি হারানোর পর পারিবারিক সিদ্ধান্তে বড় ভাইয়ের দোকানে কাজ শুরু করেন শরীফ। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরির প্রস্তাব আসতে শুরু করে তার কাছে

আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২২, ০২:১৬ পিএম

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা মো. শরীফ উদ্দিনকে ৩৫টির বেশি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে আটটি প্রতিষ্ঠান তার কাছে নিয়োগপত্রও পাঠিয়ে দিয়েছে।

আগামী সপ্তাহে যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিতে যোগদান করবেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে দৈনিক প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণ।

চাকরি হারানোর পর আর্থিক অনটনে পড়েন দুদকের এই সাবেক উপসহকারী পরিচালক। পারিবারিক সিদ্ধান্তে তিনি বড় ভাইয়ের দোকানে কাজ শুরু করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এরপর বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরির প্রস্তাব আসতে শুরু করে শরীফের কাছে।

শরীফকে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বেসরকারি ব্যাংক, এয়ারলাইনস কোম্পানি, বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানি, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি, কয়েকটি পোশাক কারখানা, পোলট্রি কোম্পানি, ওষুধ কোম্পানি, সিকিউরিটি কোম্পানি ও সৌদি আরবের একটি হীরার প্রতিষ্ঠান। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই তাকে ঊর্ধ্বতন পদে নিতে চেয়েছে। এয়ারলাইনস কোম্পানি প্রধান নির্বাহী পদে এবং পোশাক কারখানা প্রতিষ্ঠানগুলো জিএম পদে চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে।

শরীফ উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমি সব সময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে। দুদকের চাকরি ফিরে পেলে সবচেয়ে বেশি ভালো হতো। রাষ্ট্রকে আরও বেশি সেবা করার সুযোগ পেতাম। বিদেশে অর্থ পাচার রোধসহ দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারতাম।”

২০১১ সালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন পাশ করেন শরীফ। ২০১৪ সালে দুদকে উপসহকারী পরিচালক পদে চাকরি শুরু করেন।

দীর্ঘ সময় চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন শরীফ। তিনি কক্সবাজারে ৭২টি প্রকল্পে সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকার ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতি, কিছু রোহিঙ্গার এনআইডি ও পাসপোর্ট জালিয়াতি, কর্ণফুলী গ্যাসে অনিয়মসহ বেশ কিছু দুর্নীতিবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মামলা করেন।

গত বছরের ১৬ জুন শরীফ উদ্দিনকে চট্টগ্রাম থেকে তাকে পটুয়াখালীতে বদলি করা হয়। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। চাকরিচ্যুতির কোনো কারণ উল্লেখ করেনি কর্তৃপক্ষ। তিনি ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক চাকরিতে পুনর্বহালের আবেদন করেন। তবে তার আবেদন কমিশনের কাছে বিবেচিত হয়নি। শরীফকে চাকরিতে পুনর্বহাল চেয়ে এক আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। সেটির এখনো শুনানি হয়নি।

About

Popular Links