Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

তৃণমূলে থাকা তারুণ্যের শক্তি দেখাল জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড

তারুণ্যের শক্তিতে উদ্ভাসিত হয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে যাওয়া বিজয়ীদের হাতে এই পুরষ্কার তুলে দেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর চেয়ারপার্সন সজীব ওয়াজেদ জয়

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৫৯ পিএম

দেশ গঠনে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে থাকা তৃণমূলের তরুণদের শক্তিকে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে সকলে সামনে এনে দিয়েছে ইয়াং বাংলা।

ষষ্ঠবারের মতো হওয়া এই আয়োজনে শনিবার (১২ নভেম্বর) তারুণ্যের শক্তিতে উদ্ভাসিত হয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে যাওয়া বিজয়ীদের হাতে এই পুরষ্কার তুলে দেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর চেয়ারপার্সন সজীব ওয়াজেদ জয়।

সিআরআই এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইয়াং বাংলার নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিগত ৮ বছরে ৬ বার দেশ গঠনে এগিয়ে আসা তরুণদের হাতে তুলে দেয়া হয় জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড।

বিজয়ী তরুণ-তরুণীরা দেশ গঠনে সবাইকে সব বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ইয়াং বাংলা জানায়, সারা দেশ থেকে আবেদন করা দেশ গঠনে এগিয়ে আসা তরুণদের ৬০০টিরও বেশি সংগঠন থেকে যাচাই-বাছাই শেষে শীর্ষ ১০ তরুণ সংগঠনের হাতে ওঠে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। এ বছর ৫টি ক্যাটাগরির প্রতিটিতে দুটি করে ১০টি সংগঠনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়া দেশের জন্য বিশেষ অবদান রাখায় দুই জন পেয়েছেন আজীবন সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড। এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিআরআই ট্রাস্টি নসরুল হামিদ।

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের ২০২২ সালের বিজয়ীরা হলেন, “রোবোলাইফ টেকনোলজিস”, “বিকে স্কুল অব রিসার্চ”, “বোসন বিজ্ঞান সংঘ”, “উচ্ছ্বাস”, “ইয়ুথ প্ল্যানেট”, “বিজ্ঞানপ্রিয়”, “মজার ইশকুল”, “মিলন স্মৃতি পাঠাগার”, “সুইচ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন”, “বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন”।

জয় বড়ুয়া লাবলু (রোবোলাইফ টেকনোলজিস): ২০১৮ সালে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের সহযোগিতায় এ সংগঠন যাত্রা শুরু করে। শুরুতেই তারা দুর্ঘটনা বা যেকোনো কারণে হাত হারানো ব্যক্তিদের কৃত্রিম হাত প্রতিস্থাপন করা শুরু করে। এভাবে অন্তত ২০ জনকে সহযোগিতা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে তারা ৩০ হাজার টাকায় কৃত্রিম হাত প্রতিস্থাপন করছে ও এর খরচ কমিয়ে আনতে চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে সৌদি আরব ও তুরস্কে বেশ কিছু কৃত্রিম হাত রপ্তানিও করেছে এই প্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে জয় বড়ুয়া লাবলু বলেন, “আমাদের রোবোলাইফ টেকনোলজিস মূলত যে সকল মানুষের হাত নেই তাদেরকে মূলত আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে হাত দেওয়া হয়। যেটার সাহায্যে ব্রেইন কন্ট্রোলের মাধ্যমে হাতটাকে পরিচালনা করতে পারবে।”

বিজন কুমার (বিকে স্কুল অব রিসার্চ): সমাজ গঠন, অর্থনীতি ও মানবিকতা নিয়ে কাজ করে এই প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে তারা ২২ দেশের ৫৫ জন বিশেষজ্ঞ  ১০০ গবেষণা সহকারী ও ৩০০ তথ্য সংগ্রাহককে নিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে তারা ১০টির বেশি জার্নাল ও নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। আরও দশটি প্রকল্প নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া শিক্ষা, পরিবেশ ও প্রযুক্তি বিষয়ে তরুণদের নিয়ে ৫টি সেমিনার ও সভা করেছে।

প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বিজন কুমার বলেন, “বিকে স্কুল অব রিসার্চ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষ গবেষক ও অধ্যাপকদের নিয়ে সেমিনার, প্রশিক্ষণ, ট্রেনিং, কর্মশালাসহ বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গা, নারী ও কিশোর কিশোরদের ওপর কোভিডকালে কি ধরণের প্রভাব পড়েছে তা নিয়ে গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে বিকে স্কুল অব রিসার্চ। সেটি মালয়েশিয়ার একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়।”

মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান (বোসন বিজ্ঞান সংঘ): ২০১৪ সালে শিক্ষার্থীদের গণিত ও বিজ্ঞান শিখতে অনুপ্রাণিত করতে এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে তারা নারীদের বিজ্ঞান এবং গণিত শিখতে অনুপ্রাণিত করতে একটি বিজ্ঞান প্রতিযোগিতার আয়োজন করার পরিকল্পনা করছে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডের কাছ থেকে সেরা গণিত ক্লাব পুরস্কারে ভূষিত হয়। এছাড়াও তারা প্রাতিষ্ঠানিক, আঞ্চলিক এবং জাতীয় পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড, জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড, জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াড এবং অন্যান্য পুরস্কার জিতেছে।

সংস্থার সভাপতি মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান বলেন, “আমাদের মূলত কাজ হচ্ছে একটি বিজ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক কর্মশালা, গণিত কর্মশালা করে থাকি। বিজ্ঞানভিত্তিক ম্যাগাজিন বিজ্ঞান বাতায়ন প্রকাশ করি।”

প্রসেনজিৎ কুমার সাহা (উচ্ছ্বাস): ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করছে। ভোলা, বরিশাল ও ঢাকায় তাদের ৩টি কাজের স্থান রয়েছে। বর্তমানে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা, নিম্ন আয়ের এবং বেকারদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সচেতনতা ও কোভিড-১৯ প্রতিক্রিয়া কার্যক্রমে “স্বপ্ন পূরণ”,  “বিদ্যানিকেতন”, “জয়ী”, “স্বাবলম্বী” শিরোনামে ৩টি উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালনা করছে। এছাড়াও তারা ৭০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে একটি স্কুল চালায়। শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের লক্ষ্য যুব ও নারী ক্ষমতায়ন।

প্রসেনজিৎ কুমার সাহা বলেন, “৩টি সাসটেইনেবল প্রজেক্ট আছে। “স্বপ্ন পূরণ বিদ্যানিকেতন”। সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা দেওয়া। “প্রজেক্ট জয়ী”, কিশোরদের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে সহযোগিতা করা। “স্বাবলম্বী”, এই প্রজেক্টে প্রতিমাসে দুইটি করে দোকান করে দেই।”

এ বি এম মাহমুদুল হাসান (ইয়ুথ প্ল্যানেট): ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে, সংগঠনটি নারীদের বিরুদ্ধে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। নারীদের দৃষ্টিভঙ্গি, স্বাস্থ্য ও অধিকার সম্পর্কে পুরুষদের শিক্ষিত করার বিষয়ে তারা কাজ করছে। ইতিমধ্যে তাদের কার্যক্রম ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মাসিক সংক্রান্ত স্বাস্থ্য সচেতনতা ৫০% পর্যন্ত বাড়াতে সাহায্য করেছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইসিটি এবং যুব নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, নারী উদ্যোক্তা এবং ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে কাজ করছে সংগঠনটি।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এ বি এম মাহমুদুল হাসান বলেন, “ইয়ুথ প্ল্যানেট নিয়ে আমরা মূলত বয়ঃসন্ধিকালে যেসব সমস্যা হয় সেসব নিয়ে সচেতন করতে। মাসিককালীন স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন করি ও নিজেদের তৈরি করা প্যাড দিচ্ছি।”

মুহাম্মদ শাওন মাহমুদ (বিজ্ঞানপ্রিয়): ২০১৭ সালে এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মটির যাত্রা শুরু। দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রচার ছাড়াও বিজ্ঞানের অগ্রগতি, খবর, ব্লগ, ইনফোগ্রাফিক্স অডিও-ভিজ্যুয়াল সম্বলিত বিভিন্ন কনটেন্ট তৈরি করে। এছাড়াও তারা বাংলা ভাষায় একটি ডিজিটাল বিজ্ঞান অভিধান তৈরি করছে। তাদের বেশ কয়েকটি স্কুল-ভিত্তিক কার্যক্রম রয়েছে ও বিজ্ঞান প্রচারের জন্য তারা “নেবুলা” নামে একটি অনলাইন পত্রিকা প্রকাশ করে।

প্রতিষ্ঠানের মুহাম্মদ শাওন মাহমুদ বলেন, “বাংলা ভাষায় একটি কনটেন্ট প্ল্যাটফর্ম বিজ্ঞান প্রিয়। একইসাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এটি। কুসংস্কার রুখে দিয়ে বাংলার মানুষ যাতে বিজ্ঞানমুখী হতে পারে ও বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হতে পারে।”

আরিয়ান আরিফ (মজার ইশকুল): ২০১৩ সালে পথশিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা দিতে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু। প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৭ম শ্রেণী পর্যন্ত ১ হাজার সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা দিচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান। প্রায় ১০ বছর ধরে ১ হাজার সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদান ও ঢাকায় ১০ টি স্কুল পরিচালনা করছে তারা। বর্তমানে কারিগরি শিক্ষার জন্য একটি নতুন বিভাগ খোলার পরিকল্পনা করছে সংগঠনটি।

মজার ইশকুলের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আরিয়ান আরিফ বলেন, “মজার ইশকুল ২০১৩ সাল থেকে পথশিশুদের নিয়ে কাজ করছি। ২০০০ এর বেশি পথশিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষা, খাদ্য ও প্রযুক্তি মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি।”

আসাদুজ্জামান (মিলন স্মৃতি পাঠাগার): যুব সমাজকে বই পড়ায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় মোট ১৪টি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেছে। যার মধ্যে ১টি শিশু গ্রন্থাগার, ৪টি রাস্তার পাশের লাইব্রেরি এবং ৩টি রেলস্টেশন লাইব্রেরি রয়েছে। তাদের স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ সব বয়সের পাঠক রয়েছে। তারা পাঠকের সংখ্যাবৃদ্ধি ও জ্ঞান-ভিত্তিক সম্প্রদায় তৈরি করতে সহায়তা করছে।

পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, “এ পর্যন্ত আমাদের ছয়টি পাঠাগার রয়েছে। পাঠাগারে প্রায় ১৫০০-২০০০ পাঠক প্রতিমাসে নিয়মিত বই পড়ার সুযোগ পায়।”

মো. মুইনুল আহসান ফয়সাল (সুইচ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন): সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বস্ত্র এবং আশ্রয়ের মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ২০১১ সাল থেকে কাজ করছে সংগঠনটি। ১৩ জন পূর্ণকালীন শিক্ষকের মাধ্যমে তারা বিনামূল্যে একটি স্কুল পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে তারা প্রায় ২ হাজার শিশুকে শিক্ষাদান করেছে। সংগঠনটি প্রতি বছর অমর একুশে বই মেলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের এবং বয়স্ক নাগরিকদের হুইলচেয়ার সরবরাহ করে। এছাড়াও নিঃস্ব নারী ও যুবকদের বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়।

ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মুইনুল আহসান ফয়সাল বলেন, “সুইচ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন থেকে মূলত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য কাজ করছি। চারশোর অধিক ছেলেমেয়েদের পড়াচ্ছি। বিশেষ করে আগামী দিনের নেতৃত্ব হিসেবে তাদের গড়ে তোলাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য।”

জান্নাতুল মাওয়া (বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন): ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত যুব নেতৃত্বাধীন নারীবাদী সংগঠনটি জলবায়ু ও নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করে। তারা উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ বিশেষ করে নারীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৮ জন নারী নেত্রী তৈরি করেছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি ৩০০ মিটার বাঁধ মেরামত করার জন্য তারা সফলভাবে স্থানীয় সরকারকে রাজি করেছিল। তারা নারীদের প্রতি সহিংসতা, যৌতুক, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করে।

বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক জান্নাতুল মাওয়া বলেন, “বিন্দু একটি যুব নারী সংগঠন। আমরা মূলত জলবায়ু ন্যায্যতা নারী অধিকার নিয়ে কাজ করছি। আমাদের আরও কাজ হচ্ছে নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি। নারীদের লিডারশীপ এবং সর্বস্তরে নারীরা যেনো অংশগ্রহণ করতে পারে।”

About

Popular Links