Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

লোক ভাড়া করে সুবর্ণচরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছিল ভুলু

ঘটনার ইন্ধনদাতা রুহুল আমিনের সহকারী হিসেবে কাজ করত ভুলু

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০৭:১৩ পিএম

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) ভোরে চট্টগ্রামের নাজিরহাট থেকে জড়িত সন্দেহে একজনকে এবং ডাবলমুরিং এলাকা থেকে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে চরজব্বর থানার পুলিশ। এখন পর্যন্ত এ মামলায় এজাহারভুক্ত ৯ জনের মধ্যে ৪ জন এবং ঘটনার মূল ইন্ধনদাতা রুহুল আমিন ও মূল হোতা ভুলু সহ ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  

শুক্রবার গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- জসিম উদ্দিন ওরফে জইস্যা (৩০) এবং হাসান আলী ভুলু (৬০)।  

জেলা পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফ জানান, আজ (শুক্রবার) দুপুর একটায় চট্টগ্রামের ডবল মুরিং থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে মূল হোতা হাসান আলী ভুলুকে গ্রেফতার করা হয়। এই ভুলুই ১০ হাজার টাকা দিয়ে লোক ভাড়া করে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটায় বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে। 

তিনি বলেন, ভোটের দিন ভুলুর সাথে ভুক্তভোগী নারীর কথা কটাকাটি হলে সে তাকে হুমকি দেয়। সাবেক ইউপি সদস্য ও ঘটনার ইন্ধনদাতা রুহুল আমিনের সহকারী হিসেবে কাজ করত ভুলু। 

সুবর্ণচরে গণধর্ষণের মামলায় এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত ৯ জনের মধ্যে ৪ জনসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চর জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল জানান, জসিম উদ্দিন ওরফে জইস্যার অবস্থান জেনে চর জব্বর থানা পুলিশের একটি দল শুক্রবার ভোররাতে চট্টগ্রামের নাজিরহাট এলাকা থেকে জড়িত সন্দেহে তাকে গ্রেপ্তার করে। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও তদন্তে নাম উঠে আসায় চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে জসিম উদ্দিনকে নোয়াখালীতে নিয়ে আসা হচ্ছে। অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ওই ঘটনার মেডিক্যাল প্রতিবেদন হাতে এসেছে। সেখানে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

এদিকে, শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নির্যাতিতাকে দেখতে যান বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় নেতারা। পাশাপাশি, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর পক্ষ থেকে তার পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হয়।

যা হয়েছিল সেদিন 

গত ৩০ ডিসেম্বর রাতে চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যবাগ্যা গ্রামের সোহেল, হানিফ, স্বপন, চৌধুরী, বেচু, বাদশা আলম ওরফে বাসু, আবুল, মোশারেফ ও সালাউদ্দিন চার সন্তানের জননী ওই নারীর বসত ঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে তারা ওই নারীর স্বামী ও মেয়েকে বেঁধে রাখে। পরে স্বামীকে বেদম প্রহার করে এবং ওই নারীকে ঘরের বাইরে নিয়ে গণধর্ষণের পর পিটিয়ে আহত করে।

এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী নয়জনকে আসামি করে চর জব্বার থানায় মামলা করেন।

About

Popular Links