Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ওই নারীকে উদ্ধারের পর তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়, মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১২:৩৭ এএম

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে ওই নারীর মৃত্যু হয়।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে জাতীয় জরুরি যোগাযোগ নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে কেরানীগঞ্জের কদমতলির সুভাঢ্যা এলাকায় একটি সাবান কারখানার পাশ থেকে ওই নারীকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। পরে টহল পুলিশ তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহজামাল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ওই নারীকে উদ্ধারের পর তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু হয়। পরে ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, ওই নারী বাকপ্রতিবন্ধী ছিল। তার বাসা কলাতিয়া এলাকায়। বিষয়টি তদন্ত চলছে। নিহতের ভাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে। ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিনা।

নিহত নারীর বোন জামাই মো. ফারুক বলেন, সোমবার রাতে আমরা জানতে পারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে গিয়ে দেখি সে আগুনে পোড়া। হাসপাতালে চিকিৎসরত অবস্থয় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মারা যায়।

তিনি বলেন, ঘটনার দিন সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কলাটিয়া বাসা থেকে তাকে কে বা কারা কদমতলী নামক স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। কেন আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় তা আমরা এখনো জানি না। পুলিশ দ্রুত এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করবে এটাই চাই।

নিহত লতার বোন পাখি বেগম জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ির সামনে থেকে কয়েকজন ওই নারীকে তুলে নিয়ে যায়। এর পর রাতে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায় না। পরে রাত ৩টার দিকে পুলিশের মাধ্যমে তারা বোনের সন্ধান পান ও জানতে পারেন দগ্ধ অবস্থায় তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানেই তার বোনের মৃত্যু হয়।

About

Popular Links