Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জাবিতে পর্দা নামছে বাংলা বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তীর

সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে এই সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন হবে

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:৫২ পিএম

“বাংলার বুকে সমবেত সুখে” স্লোগানকে সামনে রেখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের আয়োজনে উদযাপন হচ্ছে বাংলা বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তী।

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) এ বিভাগের ৫০ বছর পূর্তিকে স্মরণে রেখে আয়োজন করা হয়েছে ৫০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার। 

সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারি ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে এই সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন হবে।

দীর্ঘ ৫০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সভাপতিত্ব করেন সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন পর্ষদের আহ্বায়ক ও বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানা।

তিনি বলেন, “আমরা একটা সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাই অতীত ও বর্তমান শিক্ষার্থীর মাঝে। একটা ক্ষেত্র তৈরি করে দেওয়া আমার উদ্দেশ্য সারা বাংলাদেশে আমাদের বিভাগের মুখ উজ্জ্বল করে যারা আছেন তারা আসবেন, বর্তমানদেরকে অনুপ্রেরণা দেবেন। এটাই উদ্দেশ্য।”

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, আনন্দ শোভাযাত্রা, র্যাফেল ড্র, প্রাক্তনদের স্মৃতিচারণ, প্রাক্তন শিক্ষকবৃন্দের সম্মাননা ও সর্বশেষ চিরকুট ব্যান্ডের পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ নামবে এই মহাযজ্ঞের।

৩০ ডিসেম্বরের ঠিক ৫০ দিন আগে ১১ নভেম্বর ২০২২ তারিখে বাংলা বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধান অতিথি উপাচার্য ড. মো. নূরুল আলম।

এর আগে ধারাবাহিকতায় ২১ নভেম্বর আলোচনা অনুষ্ঠান “সংলাপ: ইতিহাসের আলোয় বাংলা বিভাগ”, ২৫ নভেম্বর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সংগীতানুষ্ঠান “আবার এলো যে সন্ধ্যা”, ৪ ও ৯ ডিসেম্বর প্রাক্তন গুণী শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়মূলক অনুষ্ঠান “কর্মপরিসর ও বাংলা বিভাগ” প্রভৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

১৩ ডিসেম্বর বিভাগের বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় প্রবন্ধ ও কুইজ প্রতিযোগিতা। এছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা, স্মৃতিবৃক্ষ রোপণ ও নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়।

নবান্ন উৎসবে প্রদর্শিত হয় পুতুলনাট্য, “পালা: জয়তুন বিবির পালা” ও লোকসঙ্গীত। ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মরণে আয়োজিত হয় আলোচনা অনুষ্ঠান “আমরা তোমাদের ভুলবো না” ও প্রদর্শিত হয় মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক “মুক্তির পণ” ও আদিবাসী জীবন ও সংগ্রামনির্ভর নাটক “জুম্মবী”।

৩০ ডিসেম্বর সুবর্ণজয়ন্তীর মূল আয়োজনে থাকবে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। এ অনুষ্ঠানমালার প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে নতুন কলাভবন প্রাঙ্গণে নবনির্মিত “মহুয়া মঞ্চে”।

About

Popular Links