Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

২০২২ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ২,২৪৯ মামলা

আসকের অভিযোগ, বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার অব্যাহত রয়েছে

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৫৪ পিএম

দেশে ২০২২ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে (ডিএসএ) ২,২৪৯টি মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আসক।

২০২২ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতি ২০২২ নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিদবেদনে এ কথা জানায় সংস্থাটি।

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর লালমাটিয়ায় সংস্থাটির কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এএসকে পরিচালক (প্রোগ্রাম) নীনা গোস্বামী ও জ্যেষ্ঠ পরিচালক আবু আহমেদ ফয়জুল কবির মানবাধিকার প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সারা বছর ধরে দেশটিতে মানবাধিকার পরিস্থিতি খুবই অস্থিতিশীল ছিল।

তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় নির্বাচনের বিভিন্ন পর্যায়ে এক বছরে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও সহিংসতার মোট ৪৭৯টি ঘটনা ঘটেছে। 

র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে চারজন নিহত হয়েছেন। আইন প্রয়োগকারী হেফাজতে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সারাদেশে অন্তত ৯৩৬ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ও ৪৭৯ জন নারী পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

এ ছাড়া সংখ্যালঘু অধিকার, নির্যাতন, হয়রানি ও যৌন হয়রানি, পারিবারিক সহিংসতা ও যৌতুক, শিশু অধিকার ও শ্রম অধিকারসহ মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে।

আসক-এর নির্বাহী পরিচালক নুর খান বলেন, দেশের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কঠিন সময়ের মুখোমুখি। একটি মানবাধিকার সংস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে তথ্যও প্রকাশ করছি। গত বছরের তুলনায় এ বছর সংখ্যাগতভাবে মানবাধিকার ভালো বলে মনে হচ্ছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানায়, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি যদি বোঝাপড়ায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় ও রাজনৈতিক কলহ বন্ধ করতে না পারে তবে দেশে জঙ্গিবাদ বৃদ্ধির সন্দেহ রয়েছে।

নুর খান বলেন, যদিও রাজনৈতিক প্রধান দলগুলো বছর জুড়ে বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ জিইয়ে রেখেছিল। এতে জঙ্গি দলগুলো উত্থানের চেষ্টা করে। এমনকি ধর্মভিত্তিক দলগুলোও উত্থানের চেষ্টা করে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২৫ নভেম্বর দশম সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে বিরোধী-অবরোধে সারাদেশে ১০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছে।

প্রায় ৫০টি জেলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও সাতক্ষীরাকে সবচেয়ে মারাত্মক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

আসক তার সারসংক্ষেপ প্রতিবেদনে জানায়, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার কর্তৃক কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও, সারা বছর ধরে রাজনৈতিক সহিংসতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত এক বছরে কিছু ক্ষেত্রে পণ্যের দাম ৩০% থেকে ১০০% বেড়েছে। তবে নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ছাড়া কারও আয় বাড়েনি।

About

Popular Links