Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইট-সুরকি খসে পড়া জমিদার বাড়িটি এখন শুধুই কালের সাক্ষী

খসে যাওয়া দালানটির ইটের ফাঁকে-ফাঁকে এখন জন্ম নিয়েছে ডুমুর, বটবৃক্ষ আর শেওলার আস্তরণ

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৩, ০২:০৮ পিএম

কুমিল্লার মুরাদনগরে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে মেটংঘর জমিদার বাড়ি। বাড়িটি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ ছুটে আসেন।

এককালের জাঁকজমকপূর্ণ জমিদার বাড়িটি এখন পতিত হয়েছে দৈন্যদশায়। বাড়িটির ইট সুরকি খসে-খসে পড়ছে। খসে যাওয়া দালানটির ইটের ফাঁকে-ফাঁকে এখন জন্ম নিয়েছে ডুমুর, বটবৃক্ষ আর শেওলার আস্তরণ। বর্তমানে বাড়িটিতে জমিদারের বংশধর  শ্রীমতি চম্পক লতা রায় বসবাস করছেন।

তিনি বাসসকে বলেন, আমার দাদা শ্বশুর ছিলেন জমিদার। এক সময় বহু লোকজন এ বাড়িতে আসতেন। বাঙ্গরার রুপবাবুর বংশের লোকজনও এ বাড়িতে আসতেন। জমিদারদের প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল অনেক বেশি। সবাই তাদের শ্রদ্ধার চোখে দেখতেন। 

জমিদারদের উত্তররসূরী দয়ালসাহ (৮১) বর্তমানে ঢাকা বসবাস করছেন। তিনি বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর গ্রামের জায়গা-জমি বিক্রি করে স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসি। এখন ছেলের সঙ্গে কোনো রকমে শেষ বয়সটা কাটাচ্ছি। আমার বাবা দারিকসাহা বৃটিশ শাসনামলে জমিদারি লাভ করেন। জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হওয়া আগ পর্যন্ত এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু নির্মাণে সহযোগিতা করেন। জনহিতকর কাজে জমি দান করেছেন। 

জমিদারের বংশধর চম্পক লতা রায় বলেন, “জমিদারি থাকাকালে আমাদের পূর্বপুরুষগণ এলাকার শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান স্থাপনে এবং মানব কল্যাণে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন। আজ আমরা পূর্ব পূরুষের ধ্বংসাশেষে শুধুই দাঁড়িয়ে আছি, সমাজের জন্য কিছুই করতে পারছি না। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দুঃখ।”

About

Popular Links