Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘বিয়ের প্রলোভনে’ কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, ইউএনওর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

২০২১ সালে বাসাইলে ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ফেসবুকে মির্জাপুরের এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় হয় মনজুর হোসেনের। একপর্যায়ে বিয়ের কথা বলে মনজুর বিভিন্ন সময় ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:৩৭ পিএম

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগে টাঙ্গাইলের বাসাইলের সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আমলি আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরা সুলতানা এ আদেশ দেন।

কলেজছাত্রীর করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ আদেশ দেন। ভুক্তভোগীর আইনজীবী মো. রাসেল রানা সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মনজুর হোসেন রাজবাড়ীর পাংশা থানার চরঝিকড়ী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি হিসেবে সংযুক্ত আছেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে বাসাইলে ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ফেসবুকে মির্জাপুরের এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় হয় মনজুর হোসেনের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের কথা বলে মনজুর হোসেন বিভিন্ন সময় ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। তাকে নিয়ে ভারতে বেড়াতে যান। টাঙ্গাইল শহরে বাসা ভাড়া করে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে কয়েক মাস বসবাসও করেন। 

পরে ওই কলেজছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে মনজুর হোসেন তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ ঘটনায় ২০২২ সালের ২১ জুন আদালতে মামলা করেন ওই কলেজছাত্রী। মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইনের ৪৯৩ ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

আইনজীবী মো. রাসেল রানা বলেন, “রবিবার পিবিআই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। শুনানি শেষে বিচারক সোমবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। অভিযুক্ত ইউএনও যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন।”

About

Popular Links