Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে চায় ২১০ সংস্থা

বর্তমান নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের নিবন্ধনের মেয়াদ ১১ জুলাই শেষ হচ্ছে

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৩, ০৮:৫০ পিএম

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করতে নির্বাচন কমিশনে মোট ১০টি সংস্থা আবেদন করেছে।

নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ বিভাগ সূত্র জানায়, মূল্যায়নের যোগ্য বলে বিবেচিত হলে আগামী পাঁচ বছরের জন্য সব সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবে সংস্থাগুলো।

নির্বাচন কমিশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) আসাদুল হক জানান, “২ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোট ১৯৯টি আবেদন জমা পড়ে।”

কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, “আবেদনগুলো মূল্যায়নের জন্য সাত সদস্যের একটি কমিটি বৃহস্পতিবার বৈঠক করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “এখন থেকে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে এই আবেদনগুলোর প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করা হবে।”

“এরপর নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। ১৫ দিনের মধ্যে, প্রাথমিক নির্বাচনে যাদের আবেদন গৃহীত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোন দাবি বা আপত্তি আছে কিনা তা জানতে একটি পাবলিক নোটিশ জারি করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পেলে কমিশন উভয় পক্ষের কথা শুনবে এবং সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে,” যোগ করেন তিনি।

এদিকে, সহকারী পরিচালক আরও জানান, বিদ্যমান নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের নিবন্ধনের মেয়াদ ১১ জুলাই শেষ হচ্ছে। 

“অতএব, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী জুনের মধ্যে চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে,” তিনি যোগ করেন।

কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে যে কোনো দিন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন করবে।

সবশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালে ১১৯টি সংস্থাকে পাঁচ বছরের জন্য নিবন্ধন দিয়েছিল তৎকালীন কে এম নূরুল হুদা কমিশন।

ইসি কর্মকর্তা জানান, নিবন্ধন চেয়ে আবেদনের নির্ধারিত যোগ্যতার পাশাপাশি গত পাঁচ বছর (২০১৮ থেকে ২০২২ ডিসেম্বর) ধরে যারা নিবন্ধিত হয়েও কোনো নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেনি তাদের আবেদন বাতিল হবে।

তবে যেসব দল ২০১৮ সালে নিবন্ধিত হতে পারেনি, কিন্তু মেয়াদ থাকাকালীন কোনো সংসদ ও স্থানীয় সরকারের সাধারণ বা উপনির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে থাকলে আবেদন যোগ্য বিবেচিত হবে।

নবম সংসদ নির্বাচনের আগে প্রথমবারের মতো পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন চালু হয়। এক বছর করে মেয়াদ নির্ধারণ করা হলেও পরে এ মেয়াদ পাঁচ বছর করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ২০০৮ সালে ১৩৮টি সংস্থাকে নিবন্ধন দেয় তৎকালীন এটিএম শামসুল হুদা কমিশন। তখন নিবন্ধনের মেয়াদ ছিল একবছর।

২০১১ সালে ১২০টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেওয়া হয়। এসব সংস্থার নিবন্ধনের মেয়াদ ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার পর কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ কমিশন তা আরও এক বছর বাড়ায়।

নবম সংসদ নির্বাচনে দেশীয় ৭৫টি সংস্থা ভোট পর্যবেক্ষণে থাকলেও দশম সংসদে তা কমে ৩৫টিতে দাঁড়ায়। ২০১৮ সালে আবেদন করে ১৯৯টি সংস্থা, নিবন্ধন পায় ১১৯টি।একাদশ সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ করে ৮১টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থার ২৫ হাজার ৯০০ জন প্রতিনিধি।

এছাড়া ৩৮ জন (ফেমবোসা, এএইএ, ওআইসি ও কমনওয়েল্থ থেকে আমন্ত্রিত) বিদেশি পর্যবেক্ষক, বিভিন্ন বিদেশি মিশনের ৬৪ জন কর্মকর্তা এবং দূতাবাস ও বিদেশি সংস্থায় কর্মরত ৬১ জন বাংলাদেশি ভোট পর্যবেক্ষণ করে।

খসড়া সমন্বিত সাংবাদিক নীতিমালা চায় ইসি

ভোটের দিন সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত ও অনুমোদন সূচক স্টিকারযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করেন। নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালার আওতায় এতোদিন তা করা হলেও একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এক ডজন নির্দেশনা সম্বলিত নীতিমালা দেওয়া হয় সাংবাদিকদের জন্য।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহে একটি সমন্বিত সাংবাদিক নীতিমালা খসড়া প্রস্তুতির কাজ চলছে। প্রস্তাবিত নীতিমালা নিয়ে গণমাধ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

About

Popular Links