Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রধানমন্ত্রী: রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে টালবাহানা করছে মিয়ানমার

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি ওই সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব সম্প্রচার করেছে সংবাদমাধ্যমটি

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২৩, ০২:২৯ পিএম

রোহিঙ্গা নাগরিকদের তাদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “সামরিক শাসনে থাকা মিয়ানমার কারও কথা শুনছে না। তারা টালবাহানা করে আসছে শুরু থেকেই। রোহিঙ্গারা আমাদের দেশের জন্য বড় বোঝা। তাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ। অনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছে তারা। এতে ঝুঁকিতে পড়ছে আমাদের স্থানীয় নিরাপত্তা।”

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি ওই সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব সম্প্রচার করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরাতে নেপিদোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাচ্ছি। সংকট সমাধানে আমরা নিজেরাও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তারা কোনো সহযোগিতা করছে না। বাংলাদেশ চীনকেও অনুরোধ করেছে যেন নেপিদোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে। আসিয়ানের অন্যান্য দেশের সহায়তা চাওয়া হয়েছে, তারাও যেন এগিয়ে আসে।”

ইউক্রেনে চলা যুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান প্রসঙ্গে সিএনএনের সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, “কোনো দেশ একা যুদ্ধ শুরু করতে পারে না। আমরা যুদ্ধ ও আগ্রাসন কখনোই সমর্থন করি না। আলোচনার মধ্যেই শান্তি রয়েছে। সংকট নিরসনে পুরো বিশ্বকেই উদ্যোগ নিতে হবে। মস্কো ও কিয়েভের সংঘাতের কারণে ভুগতে হচ্ছে পুরো বিশ্বকে। নিজেদের ভূখণ্ডে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার অধিকার প্রত্যেকটা দেশের আছে।”

রাশিয়ার মিত্র বেইজিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়ে যাওয়ার কারণেই কী মস্কোর বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে না ঢাকা? এমন প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা সবার সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করি। বিশেষ করে যারা আমাদের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ভারত সবার সঙ্গেই।”

তিনি আরও বলেন, “চীন আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। তারা আমাদের দেশে বিনিয়োগ করছে। আমাদের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু আমরা কারও ওপর নির্ভর নই।”

শ্রীলঙ্কার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যদিও বেইজিংয়ের ঋণের চাপে পড়ে ভুগতে হচ্ছে শ্রীলঙ্কাকে। এ বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি। যে প্রজেক্ট আমাদের দেশের উন্নয়নের ভূমিকা রাখে সেগুলো অনুমোদন দিই। ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা বিশ্ব ব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংককে (এডিবি) প্রাধান্য দিয়ে থাকি। আমার মনে হয় না, শ্রীলঙ্কার অবস্থায় যাবে আমাদের দেশ। আমরা নিজেদের সম্পদ কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। অপ্রয়োজনীয় কোনো ঋণ বা প্রকল্প হাতে নিই না।”

About

Popular Links