Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শ্রীমঙ্গলে ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেট: জোরে বাতাস বইলে ব্যবসায়ীরা আশ্রয় নেন মসজিদে

শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র বলেন, বাজারের শেড ভাঙতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগে। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৩, ০৬:৪৬ পিএম

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল পৌরসভার চাল বাজারের ছাদে ফাটল ধরেছে। প্রতিনিয়ত খসে পড়ছে ছাদের জরাজীর্ণ প্লাস্টার। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যাসায়ীদের।

তারা বলছেন, কোনো উপায় না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই তাদের দোকান করতে হয়। ঝড় বা জোরে বাতাস বইলে তাদের পাশের মসজিদে আশ্রয় নিতে হয়। পৌর কর্তৃপক্ষও একই ঝুঁকি ও পরিস্থিতির কথা জানিয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এই স্থাপনার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের মধ্যে একাধিকবার চিঠি চালাচালি হয়েছে; তবে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শ্রীমঙ্গলের এই বাজারটি সিলেট বিভাগের মধ্যে অন্যতম বড় ব্যবসাকেন্দ্র। ১৯৮৯-৯০ সালে বাজারটির শেড নির্মাণ করা হয়। প্রায় সাড়ে তিন দশকের পুরোনো এ শেড বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় সম্পূর্ণরূপে ধসে পড়তে পারে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটার শঙ্কা রয়েছে।

বাজারের চাল ব্যবসায়ী বাবুল দেবনাথ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “বাজারটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রায়ই ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা জীবন ও জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে দোকান করতে হচ্ছে আমাদের।”

ব্যবসায়ীরা জানান, চাল বাজারের ঝুঁকিপূর্ণ শেডের নিচে শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজরেরও বেশি মানুষ এখানে কেনাকাটা করতে আসেন। 

মিলন মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, “এখন ঝড়বৃষ্টির মৌসুম। গত ২-৩ বছর ধরে ঝড়বৃষ্টি হলে আমরা ভয়ে পাশের নতুন বাজার জামে মসজিদের বারান্দায় আশ্রয় নিই। এখানে আমাদের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই।”

এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র মো. মহসিন মিয়া মধু ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “বাজারের শেড ভাঙতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগে। মার্কেটটিকে ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। দুইবার চিঠি পাঠিয়েও কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আবারও চিঠি দিয়েছি। সংশ্লিষ্টদের অনুমোদন পেলে দ্রুত এই জরাজীর্ণ শেড ভেঙে নতুন করে করা হবে।”

About

Popular Links