Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনে বাংলাদেশ যেন বিশ্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি সারা বিশ্বের দৃষ্টি রয়েছে। সারা বিশ্বের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়, তা নিশ্চিতে মনোযোগ রয়েছে 

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২৩, ১০:৩৮ এএম

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, “বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি সারা বিশ্বের দৃষ্টি রয়েছে। এই অঞ্চল এবং সারা বিশ্বের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেন উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়, তা নিশ্চিতের বিষয়ে সবার মনোযোগ রয়েছে।”

সোমবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের শুরুতে ব্লিঙ্কেন এ প্রত্যাশার কথা জানান। 

বৈঠকের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে কথা বলেছে। তারা বলেছে একটা মডেল নির্বাচন করতে হবে। আমি বলেছি, অবশ্যই। এটা আমাদের উদ্দেশ্য। আমরাও একটি মডেল নির্বাচন চাই। এ ব্যাপারে আপনারাও আমাদের সাহায্য করেন, যাতে আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন করতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের অঙ্গীকার রয়েছে। সরকার এ ব্যাপারে ...এটা করার জন্য আমরা ছবিসংবলিত আইডি তৈরি করেছি, যাতে ফেইক ভোট না হয়। আমরা স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স করেছি। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন করেছি। আমরা আশা করছি, এই কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করবে। তবে নির্বাচন একা একা হয় না। আমরা তোমাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) নির্বাচন পর্যবেক্ষক চাই। তোমরা আসো। তবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন শুধু সরকার করতে পারবে না। এ জন্য সব বিরোধী দলকে এগিয়ে আসতে হবে। তাদের অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে অঙ্গীকার করতে হবে।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, “আমাদের দেশে নির্বাচনে লোক মারা যায়। আমরা চাই না একটা লোক মারা যাক। আমাদের এখানে হাসি-আনন্দে নির্বাচন হয়। তবে আমরা খুব ইগোস্টিক, এত উদ্বেলিত হই যে; লোক মাইরা ফেলি। আমরা চাচ্ছি, নির্বাচন ইস্যুতে আমাদের একটা লোকও যেন না মারা যায়। আমরা পরিবেশ তৈরি করেছি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে। এতে অন্য লোকদেরও সাহায্য করতে হবে।”

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ), গণমাধ্যম এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা বলেছি, ডিএসএ করেছি, কিন্তু গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য তা করিনি। আওয়ামী লীগ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। আমাদের দেশে ১,২৫১টি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। ৪৩টি প্রাইভেট টিভি নেটওয়ার্ক আছে। তারা হাইপার অ্যাকটিভ। আমরা কোনো কিছু খর্ব করি না। আমাদের দেশে বিরোধী দল যখন–তখন বিক্ষোভ করতে পারে।”

মানবাধিকারের বিষয়ে আলোচনার ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র কয়েকজন লোকের বিষয়ে ন্যায়বিচার করতে বলেছে। তখন বলেছি, আমরা অবশ্যই ন্যায়বিচার করব। কারণ, আমরা আইনের শাসন ও সুশাসন চাই।”

About

Popular Links