Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশ বৈঠকে ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যা

বৈঠকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রায়হান হঠাৎ ইকরামের বুকে ছুরিকাঘাত করে

আপডেট : ২৪ মে ২০২৩, ১১:৫৩ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশ বৈঠকে ছুরিকাঘাতে ইকরাম আহমদ (৩০) নামে ছাত্রলীগের এক নেতাকে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এদিকে ঘটনার পরপরই প্রধান অভিযুক্ত রায়হানকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে হত্যার দায় স্বীকার করেছে সে।

বুধবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইকরাম আহমদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি ঢাকার সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও ইকরামের সহকর্মীরা জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাং লিডার রায়হান ইকরামকে ছুরিকাঘাত করে। সে কয়েকদিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফুফাতো ভাই ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রেদুয়ান আনসারী রিমুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। এখানে এসে সে মাদক সেবন করে। মঙ্গলবার রাতে শহরের কাজীপাড়ায় মাদক সেবনকালে তাকে হাতেনাতে ধরেন জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম আহমেদ। পরে কিশোর গ্যাং লিডার রায়হানকে শাসন করেন। এক পর্যায়ে রায়হানের ফুফাতো ভাই রিমুকে বিষয়টি জানান ইকরাম। এতে ক্ষুব্ধ হয় রায়হান।

বুধবার বিকালে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য শহরের মুন্সেফপাড়ার বাসায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রিমু উভয়কে নিয়ে সালিশ বৈঠকে বসেন। বৈঠকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রায়হান হঠাৎ ইকরামের বুকে ছুরিকাঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারা তিনি। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ইকরামকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। তার বুকের বাঁ পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন বলেন, “ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত রায়হানকে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রায়হান পুলিশের কাছে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।”

ঘটনাটি অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

About

Popular Links