Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঢাবি উপাচার্য: নজরুল সুস্থ থাকলে ‘অগ্নিবীণা’ বঙ্গবন্ধুর নামে উৎসর্গ করতেন

ঢাবি উপাচার্য বলেন, নজরুল তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা' যাকে উৎসর্গ করেছেন, সেটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। বারীন্দ্র কুমার ঘোষ ছিলেন তৎকালীন সমগ্র ভারত ও বাংলার মহানায়ক

আপডেট : ২৫ মে ২০২৩, ১১:৪৩ এএম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সুস্থ থাকলে এবং বঙ্গবন্ধু পরিণত বয়সে থাকলে নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ “অগ্নিবীণা” বঙ্গবন্ধুর নামে উৎসর্গ করতেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) সকালে কাজী নজরুল ইসলামের ১২৪তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, “মানবতার কবি, সাম্যের কবি, ভালোবাসার কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে তার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। যুগে যুগে তার অসামান্য অবদানের জন্য তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “নজরুল তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা' যাকে উৎসর্গ করেছেন, সেটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেই বারীন্দ্র কুমার ঘোষ ছিলেন তৎকালীন সমগ্র ভারত ও বাংলার মহানায়ক। আমরা ধারণা যদি তিনি (নজরুল) সুস্থ থাকতেন এবং তার (বঙ্গবন্ধু) বয়স সেই রকম হতো, যা হয়েছিল চল্লিশের দশকে, তিনি সেই সময়ে যে অসামান্য অবদান রেখেছেন, কবি নজরুল হয়তো এই কাব্যগ্রন্থটি বঙ্গবন্ধুর নামেই উৎসর্গ করতেন। নজরুল তার এই কাব্যগ্রন্থ উৎসর্গের জন্য সব বৈশিষ্ট্য বঙ্গবন্ধুর মাঝে খুঁজে পেতেন।”

কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি খিলখিল কাজী বলেন, “কাজী নজরুল আজীবন মানুষের জায়গান গেয়েছেন; সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ ছিলেন তিনি। অন্যায়ের প্রতিবাদে মুখর ছিল তার লেখনী। ১৯৪২ সালে যদি তিনি অসুস্থ না হতেন, তাহলে হয়তো আমরা তার আরও ক্ষুরধার লেখা পেতাম। আজ যেসব জাতিগত বিবেদ দেখা যাচ্ছে, কাজী নজরুল ইসলাম বেঁচে থাকলে সেগুলো হতো না। বেঁচে থাকলে তিনি সমাজটাকেই বদলে দিতেন।”

তিনি আরও বলেন, “তাকে জাতীয় কবি বলা হলেও আমরা তাকে সব পর্যায়ে পৌঁছাতে পারিনি। পশ্চিমবঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিনটি ছুটি ঘোষণা করা হয়। আমি অনেকদিন ধরে কাজী নজরুল ইসলামের জন্মদিনটি ছুটি ঘোষণার দাবি করে আসছি।”

About

Popular Links