Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মিতু হত্যা: ৭ বছর পর পলাতক আসামি গ্রেপ্তার, করতেন নিরাপত্তা কর্মীর কাজ

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পালিয়ে বিভিন্ন স্থানে ছিলেন। পরে সেখানে একটি বাড়িতে নিরাপত্তা কর্মীর কাজ নেন। তাকে গ্রেপ্তারের পর রাংগুনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে

আপডেট : ০৩ জুন ২০২৩, ০৭:৪৮ পিএম

পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার আসামি খাইরুল ইসলাম কালুকে ৭ বছর পর চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।

শুক্রবার (২ মে) রাতে আকবর শাহ থানার ছিন্নমুল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। সেখানে একটি বাসায় নিরাপত্তা কর্মীর কাজ করতেন তিনি। মিতু হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট ভুক্ত আসামি তিনি। পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (মেট্রো) নাইমা সুলতানার বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ইংরেজি ভাষার সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টার।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার বলেন, “হত্যাকাণ্ডের পর তিনি পালিয়ে বিভিন্ন স্থানে ছিলেন। পরে সেখানে একটি বাড়িতে নিরাপত্তা কর্মীর কাজ নেন। তাকে গ্রেপ্তারের পর রাংগুনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।”

রাংগুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মিল্কি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “পাঁচলাইশ থানা ও রাংগুনিয়া থানার মামলায় তার বিরুদ্ধে দুটি পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলে আক্তার মাহমুদ মাহিরকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ের কাছে হত্যার শিকার হন মিতু। এই ঘটনায় তার স্বামী বাবুল আক্তার বাদী হয়ে তিন জনকে আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। এরপর তদন্তের দায়িত্ব পায় নগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে মিতু হত্যা মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। এরপর পাল্টে যায় মিতু হত্যা মামলার গতিপথ। পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসে বাবুল আক্তারই মিতু হত্যার মূল আসামি।

মামলার তদন্ত শেষে মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার, কালুসহ সাত জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পিবিআই। 

গত ১৩ মার্চ মিতু হত্যা মামলায় কালুসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। গত ৯ এপ্রিল মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে আদালতে বিচার শুরু হয়।

About

Popular Links