Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

খুলনায় যত্রতত্র পশু কোরবানি, সড়ক-ড্রেনে রক্তের স্রোত

পশু কোরবানির জন্য নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে ১৪১টি স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে খুলনা সিটি

আপডেট : ২৯ জুন ২০২৩, ১০:৪৬ এএম

কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ১৪১টি স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে খুলনা সিটি কর্পোরেশন। তবে সিটির এই নির্দেশনা মানা হয়নি। সড়কে ও বাড়ির সামনের রাস্তায় করা হচ্ছে পশু কোরবানি। এর ফলে বৃষ্টির পানির সঙ্গে সড়কে ও ড্রেনে রক্তের স্রোত বইয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) নগরীর সড়কে সড়কে এই দৃশ্য দেখা গেছে। গত কয়েক বছর ধরে কোরবানির জন্য স্থান নির্ধারণ করে দিয়ে আসছে সিটি কর্পোরেশন তবে তার বাস্তবায়ন সেইভাবে হয়নি। গতবছর নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই ৩০% স্তবায়ন হয়েছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই হার একই।

সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর ঈদ-উল-আজহার দিন খুলনা নগরীতে বাড়ির সামনে এবং রাস্তার ওপর গরু-ছাগল কোরবানি দেওয়া হয়। এর ফলে পরিবেশ দূষিত হয়। এ অবস্থা নিরসনে পশু কোরবানির জন্য নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে ১৪১টি স্থান নির্ধারণ করা হয়।

খুলনা সিটির ভেটেরিনারি সার্জন ডা. পেরু গোপাল বিশ্বাস বলেন, “কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য এবারও স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানির আহ্বান জানিয়ে তিনদিন ধরে নগরীতে মাইকিং করা হয়েছে। তবে, ঈদের দিন বৃষ্টি থাকায় এবার সড়ক ও বাড়ির মধ্যে পশু কোরবানি হচ্ছে।”

গোবরচাকার বাসিন্দা হাসান আল মামুন বলেন, “বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত স্থানে যাওয়া কঠিন। জায়গাটি দূরে ও সেখানে বৃষ্টিতে কাঁদা সৃষ্টি হয়েছে। তাই বাড়ির সামনের সড়কেই কোরবানি করছি। পশুর অন্যান্য বর্জ্য একত্রে করে ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।”

খুলনা সিটির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আব্দুল আজিজ জানান, প্রতিবছর কোরবানির পর কিছু মানুষ রাস্তার ওপর কিংবা ড্রেনে গবাদি পশুর বর্জ্য ফেলে। এর ফলে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং ড্রেনের পানি চলাচল বিঘ্নিত হয়। বর্জ্য অপসারণে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেগ পেতে হয়।

About

Popular Links