Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

যুক্তরাষ্ট্র: ২০২০ সালে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ কমেছে

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে দেশে তিনটি নির্দিষ্ট সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে, তবে এতে কারও মৃত্যু হয়নি

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:১৯ এএম

যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, গত বছর বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ কমেছে। বেড়েছে সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত তদন্ত এবং গ্রেপ্তারের ঘটনা। ২০২০ সালে দেশে তিনটি নির্দিষ্ট সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে, তবে এতে কারও মৃত্যু হয়নি।

বাংলাদেশে ২০২০ সালে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এমন মন্তব্য করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনে। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে বৃহস্পতিবার ‘‘২০২০ কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেররিজম’’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার বরাবরের মতোই বাংলাদেশভিত্তিক সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ইসলামিক স্টেট (আইএস) বা আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা (একিউআইএস) কিংবা আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্পর্ক থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

২০১৬ সালে ঢাকায় হোলি আর্টিজান বেকারি হামলার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালে এ মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। হামলাকারীরা আইএসের প্রতি আনুগত্য দাবি করেছিল। ওই হামলায় একজন আমেরিকানসহ ২০ জন নিহত হন।

সন্ত্রাসবাদবিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র আরও উল্লেখ করে, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় চলমান ঘাটতি, বৈশ্বিক করোনাভাইরাস মহামারির সময় আদালত চালানোর সীমাবদ্ধতা বেড়ে যাওয়া ও সন্ত্রাসবাদের মামলার এক দশক-দীর্ঘসূত্রতার কারণে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ১৫%-এর কম হয়েছে।

মার্কিন প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে পুলিশ বক্সের কাছে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ৩১ জুলাই নওগাঁয় মন্দিরে হামলা হয়। দুটি ঘটনাতেই আইএস দায় স্বীকার করে। চট্টগ্রামের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য এবং একজন সাধারণ নাগরিক আহত হন। নওগাঁর আক্রমণে কেউ হতাহত হননি। ২৪ জুলাই ঢাকার গুলশানে পুলিশের মোটরসাইকেলে আইএস মতাদর্শীরা হামলার চালায় বলে দাবি করা হয়। পরে অবশ্য বিষয়টি ভুয়া প্রমাণিত হয়।

প্রতিবেদনের বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে আগের বছরের সন্ত্রাসবাদের পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

About

Popular Links