Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বস্তার গায়ে থাকতে হবে চালের নাম

খাদ্য সচিব বলেন, দেশে মিনিকেট বা নাজিরশাইল নামে কোনো ধানের জাত নেই, ব্যবসায়ীরাই এই ব্র্যান্ডগুলো তৈরি করে

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৯:১৪ পিএম

“মিনিকেট” ও “নাজিরশাইল” চালের নামে বাজারে পলিশ করা চাল বিক্রি বন্ধে মিলের মালিকদের বস্তায় ধানের জাতের নাম লেখা বাধ্যতামূলক করছে সরকার।

সোমবার (২০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক পুষ্টি অলিম্পিয়াড-২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ নাজমানারা খানম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, “দেশে মিনিকেট বা নাজিরশাইল নামে কোনো ধানের জাত নেই। ব্যবসায়ীরা আসলে এই ব্র্যান্ডগুলো তৈরি করতে বিরি-২৮ ও বিরি-২৯ ধানের জাত ছাঁটাই করেন।”

এ সময় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, “মিনিকেটের নামে যে সূক্ষ্ম চাল বিক্রি হয় তা আসলে জিরা শাইল ও শম্পা কাটারি। কিন্তু সবাই চাল কিনতে গেলে সর্বদা মিনিকেটের সন্ধান করে।”

খাদ্যমন্ত্রী মানুষকে ছাঁটা ও পলিশ করা সাদা ভাতের পরিবর্তে বাদামি চাল খাওয়ার আহ্বান জানান।

এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য সচিব নাজমানারা খানম বলেন, মন্ত্রণালয় একটি ছাঁটাই নীতি প্রণয়ন করবে।

সচিবের মতে, সাধারণভাবে সর্বোচ্চ ৮% ধান ছাঁটাই করা গেলেও, মিল মালিকরা মিনিকেটের নামে ধান বাজারে ছাড়তে ৩০% পর্যন্ত ছাঁটাই করে। এটি পুষ্টি ঝুঁকি তৈরি হয়।

“আমরা যে চালের ব্র্যান্ডের যে নাম, তা যেন বস্তায় লেখা থাকে তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি,” তিনি যোগ করেন।

জ্বালানির দাম বাড়ায় চালের দাম বেড়েছে

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র বলেন, “সম্প্রতি ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ বেড়েছে, ফলে বাজারে বিভিন্ন জাতের চালের দাম বেড়েছে।”

দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও কেন চাল আমদানি করছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তাছাড়া, যদি সরকারের কাছে মজুদ না থাকে, তাহলে একটি অংশ চালের বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলবে।”

About

Popular Links