নির্দেশনা পালনে ব্যতয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ
ফাইল ছবি। মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন
ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:১১ পিএমআপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:১১ পিএম
থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এতে বলা হয়েছে, রাজধানীতেএ উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। আনন্দের আতিশয্যে পট্কা, আতশবাজি ফোটানোর পাশাপাশি অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানো যাবে না।
এসব কার্যকলাপের পাশাপাশি ৩১ ডিসেম্বর রাতে যেকোনো ধরনের অশোভন আচরণ এবং বেআইনি কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নগরবাসীকে এ আহ্বান জানানো হয়।
- রাজধানীর রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তায় এবং প্রকাশ্যে স্থানে কোনো ধরনের জমায়েত, সমাবেশ বা উৎসব করা যাবে না।
- নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান, সমাবেশ, নাচ, গান ও কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।
- কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি/পট্কা ফোটানো যাবে না।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পরে বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন পরিচয় দিয়ে ঢুকতে পারবে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা/কর্মচারীরা ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে এলাকায় ফিরবেন। এরপর ঢুকতে চাইলে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।
- গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা ঢুকতে পারবেন না। তবে ওই এলাকার বাসিন্দারা নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
- একইভাবে উল্লিখিত সময়ে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন না, তাদের ওই এলাকায় যাওয়া নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
- হাতিরঝিল এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কোনো সমাবেশ বা অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং কোনো যানবাহন থামিয়ে অথবা পার্কিং করে অবস্থান করা যাবে না।
- গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ফিরে আসা জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
- ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর মহানগরীর কোনো বার খোলা রাখা যাবে না।
- সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে আবাসিক হোটেলগুলোতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করা যাবে।
- ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেস্ট, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।
এসব নির্দেশনা পালনে ব্যতয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
থার্টি ফার্স্ট নাইট: যা করা যাবে, যা করা যাবে না
নির্দেশনা পালনে ব্যতয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ
থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এতে বলা হয়েছে, রাজধানীতেএ উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। আনন্দের আতিশয্যে পট্কা, আতশবাজি ফোটানোর পাশাপাশি অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানো যাবে না।
এসব কার্যকলাপের পাশাপাশি ৩১ ডিসেম্বর রাতে যেকোনো ধরনের অশোভন আচরণ এবং বেআইনি কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি। বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নগরবাসীকে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে কয়েকটি নির্দেশনা অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। সেগুলো হলো-
- রাজধানীর রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তায় এবং প্রকাশ্যে স্থানে কোনো ধরনের জমায়েত, সমাবেশ বা উৎসব করা যাবে না।
- নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান, সমাবেশ, নাচ, গান ও কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না।
- কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি/পট্কা ফোটানো যাবে না।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পরে বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। শুধুমাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন পরিচয় দিয়ে ঢুকতে পারবে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা/কর্মচারীরা ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে এলাকায় ফিরবেন। এরপর ঢুকতে চাইলে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।
- গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা ঢুকতে পারবেন না। তবে ওই এলাকার বাসিন্দারা নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
- একইভাবে উল্লিখিত সময়ে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন না, তাদের ওই এলাকায় যাওয়া নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
- হাতিরঝিল এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে কোনো সমাবেশ বা অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং কোনো যানবাহন থামিয়ে অথবা পার্কিং করে অবস্থান করা যাবে না।
- গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ফিরে আসা জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
- ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর মহানগরীর কোনো বার খোলা রাখা যাবে না।
- সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে আবাসিক হোটেলগুলোতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করা যাবে।
- ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেস্ট, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।
এসব নির্দেশনা পালনে ব্যতয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।