Thursday, June 13, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

যশোর সদর ও অভয়নগর ডেঙ্গুর ‘রেড জোন’

খুলনা বিভাগে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুমুক্ত জেলা চুয়াডাঙ্গা

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৩, ০৬:১০ পিএম

খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২২ জন ডেঙ্গু রোগী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিভাগের যশোর ও নড়াইল জেলায় বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিভাগ যশোর সদর ও অভয়নগর উপজেলাকে ডেঙ্গুর ‘‘রেড জোন'' ঘোষণা করেছে। যশোরে গত ১ জানুয়ারি থেকে ১০ জুলাই সকাল পর্যন্ত ৮৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মনজুরুল মুর্শিদ ঢাকা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান, “এ বছর এখন পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে কারো মৃত্যু হয়নি। যশোর ও নড়াইল জেলায় ডেঙ্গু রোগী বেশি। তাই যশোরের দুটি উপজেলাকে ডেঙ্গুর রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে। বিভাগের চুয়াডাঙ্গা জেলা এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুমুক্ত।”

খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মাগুরায় ছয়জন, যশোরে পাঁচজন, কুষ্টিয়ায় চারজন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চারজন, খুলনায় দুইজন, নড়াইলে একজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। 

বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ৩৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে যশোরের ৮৫ জন, নড়াইলে ৬১ জন, মাগুরায় ৩৫ জন, কুষ্টিয়ায় ২৬ জন, সাতক্ষীরায় ২১ জন, বাগেরহাটে ১৬ জন, খুলনায় ১৪ জন, ঝিনাইদহে আটজন, মেহেরপুরে তিনজন এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮০ জন।

যশোরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক বলেন, “জেলায় দ্রুতগতিতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। রোগীর সংখ্যাধিক্যের কারণে সদর এবং অভয়নগর উপজেলাকে ডেঙ্গুর ‘রেড জোন' ঘোষণা করা হয়েছে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জুন মাসের শেষ দিকে যশোরে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু হয়। ১ জুলাই থেকে পরিস্থিতি মনিটরিং শুরু করে স্বাস্থ্য বিভাগ। এতে ১ জানুয়ারি থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত যশোরে মোট ৮৫ জন ডেঙ্গু রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। এসব রোগীর মধ্যে ৬৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী বলেন, “বর্তমানে জেনারেল হাসপাতালে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ সাতজন এবং নারী দুইজন। রোগীর চিকিৎসাসেবায় কোনো সমস্য হচ্ছে না। প্রয়োজনে হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডকে রেড জোন হিসেবে ব্যবহার করা হবে।”

About

Popular Links