Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

যশোর ৬ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ

এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায়  কেউ হতাহত হয়নি

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০২:১৭ পিএম

যশোর শহরের আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের বাড়িসহ তাদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সামনে কয়েকটি স্থানে  কমপক্ষে ১২টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ২৬ জানুয়ারি মধ্যরাতে পর পর এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অবশ্য কেউ হতাহত হয়নি।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২৬ জানুয়ারি রাত দেড়টার দিকে যশোর শহরের কাজীপাড়া এলাকায় সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের বাসভবনে কে বা কাকার তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। সেইসময় দুইটি ককটেল বিস্ফোরিত হয় এবং একটি ফোটেনি।

জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুদ্দিন মিঠু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মধ্যরাতে কে বা কারা ককটেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটায়। 

এদিকে, ওইরাতেই যশোর শহর আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি হাসান লালের বাসভবন, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ফয়সাল খানের ঘোপ সেন্ট্রাল রোডস্থ বাসভবনের ছাদে, সেক্রেটারি শাহীন চাকলাদারের চাচাতভাই তৌহিদ চাকলাদার ফন্টুর কাজীপাড়া কাঁঠালতলাস্থ বাসভবন এবং শাহীন চাকলাদারের মালিকানাধীন শহরের গাড়িখানা রোডস্থ অভিজাত হোটেল জাবীর ইন্টারন্যাশনাল, চাকলাদার ফিলিং ইত্যাদি স্থানে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গেছে।

জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুদ্দিন মিঠু বলেন, এরআগে গত ২৫ জানুয়ারি রাতে জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মুনির হোসেন টগরের বারান্দীপাড়া কদমতলা এলাকার বাসভবন এবং যুবলীগনেতা রাজিবুল আলমের বাড়িতে সন্ত্রাসীরা একই কায়দায় কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। সন্ত্রাসীরা রাজিবুলের বাড়িতে গুলিও করে।

এসব বিষয়ে জানতে কথা হয় যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথের সঙ্গে। তিনি বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি অপূর্ব হাসান বলেন, এটি তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিষয়। 

শহরের ৬টি স্থানে ১২টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে তিনি জানান।



About

Popular Links