Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মশা মারতে ৪২ কোটি টাকা ব্যয় করবে ডিএসসিসি

মশা নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশক ও যন্ত্রপাতি কেনা এবং পরিবহনে এই টাকা ব্যয় করা হবে

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৩, ১০:৫৬ পিএম

নগরবাসীকে মশা ও মশাবাহিত রোগ থেকে রক্ষায় আসন্ন অর্থবছরে মশা নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

মশা নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশক ও যন্ত্রপাতি কেনা এবং পরিবহনে এই টাকা ব্যয় করা হবে। এছাড়া পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা।

সোমবার (৩১ জুলাই) নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। 

ডিএসসিসির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সম্মেলনে বক্তৃতা করেন। এতে তিনি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন, যার পরিমাণ মোট ৬,৭৫১.৫৬ কোটি টাকা।

এর আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ডিএসসিসি মশা নিয়ন্ত্রণে ৩০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছিল।

এর মধ্যে মশক নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশকে ২৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা এবং ফগার, হুইল, স্প্রে মেশিন পরিবহন খাতে ব্যয় হয় ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এছাড়া মশক নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি কেনায় ২ কোটি বরাদ্দ রাখলেও ব্যয় হয় ৩ লাখ টাকা।

এবারের বাজেটে মশার ওষুধের জন্য ৩৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ফগার, চাকা, স্প্রে মেশিনের জন্য ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং মশা নিয়ন্ত্রণের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ৪ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রয়েছে।

খাল, জলাশয় ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩০ কোটি টাকা।

গত অর্থবছরে এ লক্ষ্যে ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও ব্যয় হয়েছে ২৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, “মশার বিস্তার, বিশেষ করে এডিস মশা, ঢাকার বাসিন্দাদের জীবনে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।”

“দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমরা মশা নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় মৌলিক পরিবর্তন এনেছি। বছরব্যাপী সমন্বিত মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই নতুন কর্মসূচি পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ, মানসম্পন্ন কীটনাশক ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ এবং মাঠ পর্যায়ে নিশ্চিত সরবরাহ নিশ্চিত করে,” তিনি বলেন।

মেয়র বলেন, “মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে গত তিন বছরে আমরা এডাল্টিসাইডিং কর্মযজ্ঞে ৩৭৫টি নতুন ফগার মেশিন, লার্ভিসাইডিং এর জন্য হাতে পরিচালিত যন্ত্র ৪০০টি এবং কিউলেক্স মশক নিয়ন্ত্রণ কাজে ব্যবহারের জন্য ২৫টি নতুন হুইল মেশিন কিনেছি।”

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলর, করপোরেশনের বিভাগীয় প্রধান এবং আঞ্চলিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

About

Popular Links