Saturday, June 15, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পানির নিচে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক, যান চলাচল বন্ধ

সকাল থেকে সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকায় পুরো এলাকার মানুষ কার্যত জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৩, ০৫:২৭ পিএম

টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কের কিছু অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ কারণে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল থেকে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বর্ষণে সাঙ্গু নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেরানিরহাট, চন্দনাইশ ও দোহাজারী এলাকার মহাসড়ক প্লাবিত হয়েছে। এসব সড়কের কিছু অংশ তিন থেকে চার ফুট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

চন্দনাইশ উপজেলার হাসিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ বিন ইসহাক জানান, টানা বর্ষণে আশপাশের পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে। ফলে তার ইউনিয়নসহ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও তলিয়ে গেছে।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিন আরাফাত জানান, টানা বর্ষণে সাতকানিয়ায় মহাসড়ক কয়েক ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সকাল থেকে সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকায় পুরো এলাকার মানুষ কার্যত জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিল্টন বিশ্বাস বলেন, “আমার অফিসের সামনে কোমর সমান পানি রয়েছে, কেরানীহাটও প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে যাওয়ার পরিমাণ দেখে ধারণা করা হচ্ছে পুরো সাতকানিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গতকাল থেকে সেখানে বিদ্যুৎ নেই, মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ, পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সমন্বয় ও চলাচলের সুবিধার্থে আমি একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা কেনার পরামর্শ দিয়েছি।”

মঙ্গলবার পর্যন্ত আনুমানিক ১,৫০০ পরিবার আশ্রয় চেয়েছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় আশ্রয়কেন্দ্রে কত মানুষ রয়েছেন, তার সঠিক তথ্য জানাতে পারেননি ইউএনও।

তিনি বলেন, “আমরা যোগাযোগ করতে পারছি না। ফলে সর্বশেষ পরিসংখ্যান পাইনি। উপজেলা পরিষদে সাতজন আশ্রয় চেয়েছেন। স্কুলগুলোও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।”

সাতকানিয়া ছাড়াও পার্শ্ববর্তী চন্দনাইশ ও লোহাগাড়া উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।

চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, “মহাসড়কটি ছোট ও মাঝারি যানবাহনের চলাচলের অনুপযোগী। পাঠানিপুল এলাকায় পানির উচ্চতা বেশি। পানির কারণে কিছু যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে।”

About

Popular Links