Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বান্দরবানে ফের বন্যার শঙ্কা, পাহাড় ধসে খাগড়াছড়িতে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

পাহাড় ধস ও বন্যার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে মাইকিং করছে স্থানীয় প্রশাসন

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৩, ০৩:১২ পিএম

কয়েকদিন আগের ভয়াবহ বন্যার ক্ষতির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই শঙ্কা দেখা দিয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে। শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টি ঝরছে জেলায়। ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টিতে পাহাড় ধস ও বন্যার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মাইকিং করছে স্থানীয় প্রশাসন।

একই অবস্থা চলছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে। জেলায় গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির প্রভাবে রবিবার (২৭ আগস্ট) সকালে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে গুইমারা-মহালছড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার ভোরে জেলার গুইমারা উপজেলার সিন্দুকছড়ি ইউনিয়নের পঙ্খীমুড়া এলাকায় পাহাড় ধসে সড়কের পড়ে। এতে গুইমারা উপজেলার সঙ্গে মহালছড়ি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মাটি অপসারণের কাজ চলছে।”

এদিকে, রবিবার সকাল থেকে বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশ ও নদীর তীরে বসবাসরতদের নিরাপদে সরে যেতে পৌরসভার ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে সর্তক করা হচ্ছে।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র শামসুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারি বর্ষণের আশঙ্কায় ভূমিধসস ও নিচু এলাকার বসতবাড়ি তলিয়ে যেতে পারে, তাই তাদের নিরাপদ আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।”

এদিকে জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী পানি বাড়ার কারণে বন্যা ও ভূমি ধসের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

রুমা উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, “রুমা বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কংগো পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঘোনা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আপাতত তিনটি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, বান্দরবান জেলার পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে অন্তত ৪০ হাজার পরিবার। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। জেলার সঙ্গে উপজেলাগুলোর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

About

Popular Links