Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইসি আনিছুর: জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচন

ইসি আনিছুর রহমান বলেন, বলা যায়, ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে আমরা এখনো ভোটগ্রহণের কোনো তারিখ ঠিক করিনি

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:২৮ পিএম

২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনিছুর রহমান। তবে এখনো ভোটগ্রহণের কোনো তারিখ ঠিক হয়নি।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল প্রথম ধাপে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষক (টিওটি) কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে ৪ নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমরা যদি সুন্দরভাবে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে পারি; এর সঙ্গে আরও কতগুলো বিশেষণ যুক্ত হয়েছে, সেটি হলো- অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য। এটি গ্রহণযোগ্য হতে হবে। এটি একটি বড় জিনিস। এটা পরিমাপ করার কোনো যন্ত্র আমাদের হাতে নেই। তারপরও জনগণের যে দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয় নির্বাচনের পরে; নির্বাচনের শুদ্ধতা ও সিদ্ধতা প্রশ্নে, ওটার ওপর জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়। এটাও কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “নির্বাচন খুব সহজ কর্ম নয়। এই কারণে যে, আমাদের যে নির্বাচনী সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক সংস্কৃতি বা গণতান্ত্রিক যে সংস্কৃতি এটি এখনো সর্বোচ্চ ধাপে গিয়ে পৌঁছেনি। পৃথিবীর অনেক দেশ আছে যেখানে নির্বাচন নিয়ে খুব বেশি হায়-হুতাশ করতে হয় না। বিশেষ করে ইউরোপের অনেকগুলো দেশ। সেখানে নির্বাচনটা খুবই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে যায়। ওরা গণতন্ত্রের একটি বিশেষ অবস্থানে গিয়ে থিতু হয়েছে। আমরা এখনো এরর অ্যান্ড ট্রায়াল পদ্ধতিতে এগিয়ে যাচ্ছি।”

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে ইসি আনিছুর রহমান বলেন, “বলা যায়, ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে আমরা এখনো ভোটগ্রহণের কোনো তারিখ ঠিক করিনি।”

তিনি আরও বলেন, “আজকের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়ে গেল। আপনারা যারা এখান থেকে প্রশিক্ষণ নেবেন, তারা প্রথমে অঞ্চলভিত্তিক প্রশিক্ষণ করাবেন। এরপর অঞ্চলে যারা প্রশিক্ষিত হবেন তারা জেলা পর্যায়ে এবং জেলার প্রশিক্ষিতরা উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দেবেন।”

About

Popular Links