Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে ফেসবুকে ভিডিও দিয়ে শক্তি জানান দিত তারা

গত চার–পাঁচ বছর ধরে তারা মোহাম্মদপুর আদাবর, বেড়িবাঁধ, ঢাকা উদ্যান এলাকায় ১৫-২০ জন সদস্যসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতেন

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:২০ পিএম

ঢাকার মোহাম্মদপুর আদাবর, বেড়িবাঁধ, ঢাকা উদ্যান এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানো একটি অপরাধী চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিযোগ রয়েছে, চক্রটি একই কায়দায় হামলা চালিয়ে বিভিন্ন লোকজনের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করে সেই নৃশংসতার ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছড়িয়ে নিজেদের শক্তির জানান দিত।

গ্রেপ্তার সাতজন হলেন রাফিদুল ইসলাম ওরফে রানা ওরফে রাফাত (২৩), তুষার হাওলাদার (২৪), আহমেদ খান (২২), মো. হাসান ওরফে গুটি হাসান (২৪), মো. হানিফ হোসেন ওরফে জয় (২৪), রমজান (২৩) ও মো. রাজু (১৯)। র‍্যাব বলছে, গতকাল শুক্রবার ঢাকা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে এই সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, সম্প্রতি পূর্বশত্রুতার জেরে ঢাকার মোহাম্মদপুরে আরমান নামে এক ব্যক্তির হাতের কবজি চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করে সন্ত্রাসীরা। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সংস্থাটি জানায়, আসামি তুষার চাপাতি দিয়ে আরমানের বাঁ হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করেন। আসামি রাফাত চাপাতি দিয়ে আরমানের ডান হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন করেন।

এই চক্রটি বিভিন্ন সময় এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ব্যক্তিকে একই কায়দায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে হামলা করেছিলেন। তারা ভুক্তভোগীর শরীরের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন করেন ও নৃশংসতার এসব দৃশ্য ভিডিও করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিতেন।

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান, গত চার–পাঁচ বছর ধরে তারা রাজধানীর মোহাম্মদপুর আদাবর, বেড়িবাঁধ, ঢাকা উদ্যান এলাকায় ১৫-২০ জন সদস্যসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতেন। তাদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতেন আসামি রাফাত। তিনি দলের প্রধান “হিটম্যান” হিসেবে কাজ করতেন।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন, “এই অপরাধীরা একাকী পথচারীকে আকস্মিকভাবে ঘিরে ধরে চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অর্থ, মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করতেন। এছাড়া চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতেন। মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিল চক্রটি।  তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রীতিকর-কুরুচিপূর্ণ ভিডিও শেয়ার করতেন।”

About

Popular Links