Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রথম চালানে ভারতে গেলো ৩,২২৫ কেজি ইলিশ

রপ্তানি করা প্রতি কেজি ইলিশের দাম ধরা হয়েছে ১০ ডলার

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:৫৬ পিএম

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ৩,২২৫ কেজি ইলিশ মাছ পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে দুটি পিকআপভ্যানে করে এই মাছগুলো ত্রিপুরার আগরতলা পৌঁছায়।

রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএফএজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মেসার্স প্রিতম এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধীকারী মনির হোসেন বাবুল জানান, দুর্গা পূজা উপলক্ষে সরকার পাঁচ হাজার মেট্রিক টন মাছ রপ্তানি করার জন্য অনুমোদন দিয়েছে। শুক্রবার দুটি পিকআপ ভ্যানে করে ৩,২২৫ মেট্রিক টন ইলিশ ত্রিপুরায় রপ্তানি হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ৫০ টন মাছ যাবে তার অধীনে। রপ্তানি করা প্রতি কেজি ইলিশের দাম ধরা হয়েছে ১০ ডলার। যা থেকে ৩২,০৫০ ডলার রপ্তানি আয় হবে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি।

বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, দেশের ৭৯টি প্রতিষ্ঠান ৫০ মেট্রিক টন করে মোট ৩,৯৫০ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করতে পারবে। আর এই রপ্তানির অনুমতি থাকছে আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

এজন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে আট শর্ত দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো- শুল্ক কর্তৃপক্ষ রপ্তানির অনুমতিপ্রাপ্ত পণ্যের কায়িক পরীক্ষা করবে, প্রতিটি চালান জাহাজীকরণ শেষে রপ্তানির সব কাগজপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পাঠাতে হবে, অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করা যাবে না, অনুমতিপত্র কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ছাড়া সাবকন্ট্রাকটিংয়ের মাধ্যমে ইলিশ রপ্তানি করা যাবে না।

এর আগে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ১ সেপ্টেম্বর পাঁচ হাজার টন ইলিশের চাহিদা জানিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ী সংগঠন কলকাতা ফিশ ইমপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন শহরটিতে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে একটি আবেদন করে। ৪ সেপ্টেম্বর আবেদনটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আসে।

২০২২ সালের মতো এ বছরও অনুমতি দেয় মন্ত্রণালয়। গত বছর দুর্গাপূজার সময় ২,৯০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। রপ্তানি হয়েছিল ১,৩০০ টন। আগের বছরেও একই অবস্থা দেখা গেছে। অর্থাৎ অনুমোদনের তুলনায় রপ্তানি ৩০% থেকে ৪০% কম হয়েছে।

About

Popular Links