Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রূপপুরের পথে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান, যান চলাচলে বিধিনিষেধ

  • ভোর ৫টা থেকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে যান চলাচলে বিধিনিষেধ
  • বন্ধ যাত্রীবাহী বাসের টিকেট কেনাবেচা
  • ২০২৪ সালে উৎপাদনে যাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:৪৭ পিএম

পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের “ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল” বা ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান ইতোমধ্যে ঢাকায় এসেছে। বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ে ঢাকা থেকে সড়কপথে এই ইউরেনিয়ামের চালান নিয়ে যাওয়া হবে বিদ্যুৎকেন্দ্রে। ফলে শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পাবনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী।

তিনি বলেন, “আগামীকাল সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ইউরেনিয়াম আসবে। যেহেতু পাবনা-ঢাকা রুটে অনেক সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। এজন্য যানজট নিয়ন্ত্রণে ও নিরাপত্তার স্বার্থে শুক্রবার ভোর ৫টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তবে আরিচা-কাজীরহাট হয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় যান চলাচল করতে পারবে।”

পাবনার ঢাকাগামী বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, টিকেট বিক্রি বন্ধ রয়েছে। দায়িত্বরত কর্মচারীরা জানালেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ইউরেনিয়াম পরিবহনের জন্য বাস চলাচল বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাশিয়া থেকে দেশে পৌঁছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল বা ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান। শুক্রবার রূপপুরে ইউরেনিয়াম এসে পৌঁছালেও রূপপুর প্রকল্পের কর্তৃপক্ষের কাছে আগামী ৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইউরেনিয়াম জ্বালানি হস্তান্তর করবেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশনের মহাপরিচালক রোসাটম আলেক্সি লিখাচেভ।

উল্লেখ্য, দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে খরচ হচ্ছে প্রায় এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২২ হাজার ৫২ কোটি ৯১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। রাশিয়া থেকে ঋণ সহায়তা হিসেবে এসেছে ৯১ হাজার ৪০ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর ২০২৪ সালের প্রথম দিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বিতীয় ইউনিট চালু হতে পারে। দুটি ইউনিটে ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

About

Popular Links