Thursday, May 30, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নিরাপত্তাহীনতায় পাচার হচ্ছে মেধা, বললেন প্রতিমন্ত্রী

২০২২ সালে বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৪৯ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমিয়েছেন। যারা বিদেশে যান তারা আর ফেরেন না

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৩, ১২:৫৫ পিএম

প্রতি বছর দেশ থেকে হাজার হাজার মেধাবী তরুণরা বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। যোগ্যতার মূল্যায়ন না হওয়া, নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিকভাবে হেনস্তার ভয়ে তারা বেশির ভাগই দেশ ছাড়েন। বিদেশে ডিগ্রি নেওয়ার পর সেখানেই স্থায়ী হয়ে যান। এসব বিষয়ে বিভিন্ন সময় বিশ্লেষকেরা কথা বলেছেন। সরকারের পক্ষ থেকেও অনেক সময় দুয়েকটি কথা বলা হয়।

এবার বিষয়টি নিয়ে কথা বললেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। তিনি বলেছেন, “মেধা চলে যাচ্ছে, কারণ তারা এখানে নিরাপদ বোধ করছেন না। মেধা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছেন না। তাদের মূল্যায়ন হচ্ছে না।”

সম্প্রতি ঢাকায় ক্লাসিফাইড মার্কেটপ্লেস “বিক্রয় ডটকমের” কার্নিভালে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর অসংখ্য শিক্ষার্থী বিদেশে পাড়ি জমালেও এর কোনো নির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই। তবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর “গ্লোবাল ফ্লো অব টারশিয়ারি-লেভেল স্টুডেন্টস” পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালে বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৪৯ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমিয়েছেন। ২০২১ সালে ৪৪ হাজার ২৪৪ জন, ২০২০ সালে ৫০ হাজার ৭৮ জন, ২০১৯ সালে ৫৭ হাজার ৯২০ জন এবং ২০১৮ সালে ৬২ হাজার ১৯১ জন শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, যারা বিদেশে পাড়ি জমান তাদের বেশির ভাগই ডিগ্রি শেষে দেশে ফেরেন না। এরা বিভিন্ন দেশে স্থায়ী হতে চান।

দেশের কোনো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বা উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানে এই তরুণরা প্রথমে ডিগ্রি নিচ্ছেন। এরপর আরও উচ্চতর ডিগ্রি নিতে পাড়ি জমান বিদেশে। জনগণের টাকায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর কেন এত পরিমাণ শিক্ষার্থী বিদেশে গিয়ে আর ফেরেন না- এ বিষয়ে সঠিক কোনো গবেষণা নেই সরকারের।

পুঁজিরও নিরাপত্তা নেই

নিরাপত্তাহীনতা শুধু মেধাবীদেরই ভেতরেই নয় বরং সর্বক্ষেত্রে। প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমের কথায়, “দেশ থেকে পুঁজিও চলে যাচ্ছে। কারণ এই দেশে পুঁজির নিরাপত্তা নেই। এই দেশে মানুষের টাকার নিরাপত্তার অভাব আছে বলে মনে হয়।”

দেশের পণ্যের বাজার নিয়ে “সিন্ডিকেট” প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, “পণ্যের ঘাটতি থাকলে সিন্ডিকেশন হয়। চাহিদা অনুপাতে সরবরাহ না থাকলে সিন্ডিকেশন হবে। সরবরাহ বাড়ালে সিন্ডিকেশন এমনিই চলে যাবে।”

About

Popular Links