Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইসি আনিছুর: নির্বাচনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন

ইসি আনিছুর বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ভোট সংশ্লিষ্ট যাবতীয় সবকিছু আঞ্চলিক পর্যায়ে পাঠাতে শুরু করেছি। বলা যায়, নির্বাচনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত আমরা

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৩, ০৯:১৭ পিএম

দেশে বিবাদমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে প্রতিষ্ঠানটি।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেন, “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ভোট সংশ্লিষ্ট যাবতীয় সবকিছু আঞ্চলিক পর্যায়ে পাঠাতে শুরু করেছি। বলা যায়, নির্বাচনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত আমরা।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার মৃত্যুতে আসনটি ফাঁকা হয়। এই আসনের উপনির্বাচনে আগামী ৫ নভেম্বর ভোটগ্রহণ হবে। উপনির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে ইসি।

আনিছুর রহমান বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনকে আমরা সাধারণ নির্বাচনের মতোই দেখছি। যেহেতু সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে, সেহেতু এই উপনির্বাচন আমাদের পরীক্ষার সম্মুখীন করেছে। ফলে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করাই আমাদের লক্ষ্য।”

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “কেন্দ্রে ভোটার আনার দায়িত্ব প্রার্থীদের। আমাদের দায়িত্ব সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করে দেওয়া। নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নিবন্ধিত ৪৪টি দলকে ২০২২ সালে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। কেউ কেউ আমাদের আহ্বানে সাড়া দেয়নি। এরপরও আহ্বান জানিয়েছি।”

“রাজনৈতিক বিষয় আমরা সমাধান করতে পারব না। সেটা আমাদের বিষয়ও না। তবে আমরা নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করব। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে যা বোঝায়, আমরা তা করব। এ জন্য চেষ্টা করছি ও করবো। কমিশনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হলো নির্বাচন সম্পন্ন করা।”

তিনি আরও বলেন, “নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে, বাধ্যবাধকতা আছে। তাদের জন্য নির্বাচন কমিশনের বিধিবিধান আছে, নির্বাচনে অংশ না নিলে কী হবে বা হবে না, তাও উল্লেখ আছে। কাজেই এ বিষয়ে তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। এটি নিয়ে আমাদের কিছুই করার নেই। আমরা চাই, সব দল ভোটে আসুক। কেন্দ্রে ভোটার আসুক। ভোটার যদি অংশ নেয়, তাহলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে।”

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিক শিবির দুই ভাগে বিভক্ত। একদল বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকার পতনের আন্দোলন করছে। অন্যদল বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অনড় থাকার পক্ষে।

বিএনপি বলছে, গত দুটি জাতীয় নির্বাচন (২০১৪ ও ২০১৮) বর্তমান সরকারের অধীনে হয়েছে। দুটি নির্বাচনই বিতর্কিত। ফলে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচনে তারা যাবে না। দেশে কোনো নির্বাচন হতেও দেবে না।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলছে, নিরপেক্ষ সরকারের বিষয়টি সংসদে বাতিল করা হয়েছে, আদালতও বাতিল করতে সম্মতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে কথা বলে কোনো লাভ নেই। বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে।

রাজনৈতিক মাঠে দুই দলেরই সমমনাদের নিয়ে নিজস্ব অবস্থানের পক্ষে সভা-সমাবেশ করছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে রাজনৈতিক কর্মসূচি তত কঠোর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

About

Popular Links