Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আইজিপি : থানা হবে সেবার কেন্দ্রবিন্দু

পুলিশ প্রধান বলেন, 'আমরা একটা বিষয় লক্ষ করেছি। যেখানে মাদক আছে সেখানেই অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার লক্ষ করা গেছে। এ দুটিই সমাজের বিষফোঁড়া।' 

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৭:১০ পিএম

থানাকে সেবার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেছেন, কোনো অবস্থায় নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা যাবে না। কেউ যেন হয়রানীর শিকার না হয় সে বিষয়ে কঠোর নজরদারী করতে হবে। 

আজ বুধবার পুলিশ সপ্তাহ-২০১৯-এর তৃতীয় দিনে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে ৫১৪ পুলিশ সদস্যকে 'আইজিপি এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ' পরানো শেষে বক্তব্যে আইজিপি এসব কথা বলেন।

এ সময় জাবেদ পাটোয়ারী অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানের মালামাল উদ্ধার অভিযানে সাফল্য অর্জনকারী ইউনিট এবং পুলিশ সপ্তাহের কুচকাওয়াজ ও শিল্ড প্যারেড প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করেন।

আইজিপি বলেন, 'মানুষ পুলিশের কাছে সেবা, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল পরিবেশ চায়। সম্মান ও অধিকারের সঙ্গে সেবা প্রত্যাশা করে। আমাদের শতভাগ গণমুখী হতে হবে।'

'দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর ২০২১ ও ২০৪১ রুপকল্প বাস্তবায়নে আমাদের হতে হবে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।' 

জঙ্গি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহিষ্ণুতার কথা জানিয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, 'পুলিশ দেশের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে নিয়ে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। বর্তমানে দেশ অনেকাংশেই জঙ্গির আগ্রাসন থেকে মুক্ত। এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আমাদের সকলকে মিলে কাজ করে যেতে হবে।' 

আরও পড়ুন : আইজিপি ব্যাজ পেলেন ৫১৪ পুলিশ সদস্য

আইজিপি আরও বলেন, 'মাদক বর্তমানে একটি জাতীয় ও সামাজিক সমস্যা। সামাজিকভাবে এর মোকাবেলা করতে হবে। আমরা মাদককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। মাদকের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। ২০১৮ সালে ১ লাখ ১২ হাজার মাদক মামলায় প্রায় দেড় লাখ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১ হাজার ৬৩৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য।'

পুলিশ প্রধান বলেন, 'আমরা একটা বিষয় লক্ষ করেছি। যেখানে মাদক আছে সেখানেই অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার লক্ষ করা গেছে। এ দুটিই সমাজের বিষফোঁড়া। আমরা যদি সমাজকে মাদকমুক্ত করতে না পারি, আমরা যদি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সফল হতে না পারি, তা্হলে নিরাপদ সমাজ তৈরি করা কখনই সম্ভব হবে না।'

আইজিপি বলেন, 'মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কোনো সখ্যতা থাকতে পারবে না। এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'


About

Popular Links