Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সহিংসতার দায় বিএনপি এড়াতে পারবে না

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সমাবেশের নামে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল তারা। বিএনপির উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে যারা যাবে তাদের মারধর করবে

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২৩, ০২:২৬ পিএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল  বলেছেন, “গত ২৮ অক্টোবরের সহিংসতার দায় বিএনপি কখনো এড়াতে পারবে না। আমরা এর আগে দেখেছি তাদের যেভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেভাবে করেছে; কিন্তু ২৮ তারিখে সমাবেশের শুরু থেকেই তাদের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া আচরণ শুরু করে। বিচারপতির বাসভবনে আক্রমণ করলে পুলিশ বাধা দেয়। তখনই পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। পুলিশ ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার এই দায় বিএনপি এড়াতে পারে না।”

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) জেল হত্যা দিবসে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি একের পর এক সহিংসতা-অগ্নিসংযোগ করে চলছে। তারা আমাদের পুলিশ হাসপাতালে আগুন দিয়েছে, হাসপাতালের গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। এক পুলিশ সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। সমাবেশের নামে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল তারা। বিএনপির উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে যারা যাবে তাদের মারধর করবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা কিছু উন্নত প্রযুক্তির গোপন ক্যামেরা রাস্তায় সেট করেছিলাম, সেগুলোও তারা নষ্ট করে দিয়েছে। যেন সহিংসতার কোনো আলামত না থাকে। তারপরও আমাদের হাতে বেশকিছু আলামত আছে। আমরা চেষ্টা করছি সেগুলো দেখে শনাক্ত করতে।”

বিএনপির নেতাদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সারাদেশ থেকে তাদের নেতাকর্মী এনেছিল বিএনপি। নেতারা ঘরে বসে যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছিল কর্মীরা সেভাবে সহিংসতা করেছে। এ জন্য নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।”

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি। জাতীয় নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসায় এবং দুই প্রধান রাজনৈতিক দল বিপরীত মেরুতে অবস্থায় করায় সহিংসতার শঙ্কা করা হচ্ছিল। সেটিই শুরু হয় গত ২৮ অক্টোবরের পর থেকে। ঢাকায় বিএনপি ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ ডেকেছিল, ওইদিন সমাবেশ শুরু হলে বিএনপি-আওয়ামী লীগ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পণ্ড হয় বিএনপির মহাসমাবেশ। পরে দলটি হরতাল অবরোধ কর্মসূচিতে যায়। বর্তমানে বিএনপির অধিকাংশ শীর্ষ নেতা কারাগারে।  

গত ২৯ অক্টোবর সারাদেশে হরতাল, ৩১ অক্টোবর থেকে টানা ৭২ ঘণ্টার অবরোধ পালন করে দলটি। আগামী রবিবার থেকে ফের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ডেকেছে তারা।

এসব হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে সারাদেশে সংঘর্ষ-সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। যুবলীগের একজন ও বিএনপির তিনজনের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে।

About

Popular Links