Friday, June 14, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গাজীপুরে ফের মুখোমুখি শ্রমিক-পুলিশ, অর্ধশতাধিক কারখানা বন্ধ

  • পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে
  • বৃহস্পতিবারও সড়ক অবরোধ ও কারখানায় ভাঙচুর করেছেন শ্রমিকরা
আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৩, ১২:৪০ পিএম

গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েক দিনের শ্রমিক বিক্ষোভের জেরে গাজীপুরের চান্দনা, কোনাবাড়ী, ভোগরা ও জরুন এলাকায় অর্ধশতাধিক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) সকালে ফের বিক্ষোভ শুরু করেন ওইসব এলাকার পোশাক শ্রমিকরা।

সকাল ১০টায় কাশিমপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অব্যাহত শ্রমিক আন্দোলনের কারণে চান্দনা, কোনাবাড়ী, ভোগরা ও জরুন এলাকার অর্ধশতাধিক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

বন্ধ ঘোষিত কারখানার মধ্যে রয়েছে- দক্ষিণ কাশিমপুর (জরুন) এলাকার কটন ক্লাব (বিডি) লিমিটেড, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং সার্ভিস লিমিটেড, এমা সিনটেক্স লিমিটেড, রিপন নীটওয়্যার লিমিটেড, কাশিমপুর (নয়াপাড়) এলাকার কাইজার নীট ওয়্যারস লিমিটেড, ইসলাম গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ডেবোনেয়ার লিমিটেড, আরবিটেক্স নীটওয়্যার লিমিটেড, মন্ডল ফেব্রিক্স লিমিটেড, মনটেক্স নীটওয়্যার লিমিটেড, মনটেক্স ফেব্রিক্স লিমিটেডসহ অর্ধশত প্রতিষ্ঠান।  

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে এদিন সকাল ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা এলাকায় কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাক শ্রমিকরা। কিছুক্ষণ পর তারা নাওজোড় এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নেন। শ্রমিকরা মহাসড়কে টায়ার দিয়ে আগুন জ্বালান। নাওজোড় থেকে ভাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় সড়কের পাশের বেশ কয়েকটি কারখানায় ঢিল ছোড়া হয়। প্রথমে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরবর্তীতে শিল্প ও থানা-পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে বিজিবি/ঢাকা ট্রিবিউন

শিল্প পুলিশ জানায়, গত ২৩ অক্টোবর থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর এবং কোনাবাড়ীসহ আশপাশের এলাকায় বেতন বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ করছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। বিক্ষোভে কয়েকদিনে দুই শ্রমিক নিহতের ঘটনাও ঘটে। 

বৃহস্পতিবার সকালে তারা গাজীপুরের চান্দনা ও নাওজোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ এবং ভাঙচুর চালান। একপর্যায়ে তারা নাওজোড় এলাকায় সড়কে টায়ার, কাঠ ও বাঁশ জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেন। 

খবর পেয়ে বাসন থানা ও শিল্প পুলিশ এবং র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে শ্রমিকদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শ্রমিকেরা ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এদিকে, জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট মহাসড়কের আগুন নেভায়।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহম্মেদ বলেন, “সকালে চান্দনা এলাকায় একটি কারখানায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করলে তাদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে নাওজোড়সহ আশপাশের কয়েকটি কারখানায় তারা ভাঙচুর করেন। আগুন ধরিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন।”

About

Popular Links