Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গাজীপুরে সংঘর্ষে আহত আরেক পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

  • গত ৮ নভেম্বর আহত হন তিনি
  • এ নিয়ে সেদিনের ঘটনায় দুই শ্রমিক মারা গেলেন
আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৩, ১২:১৩ পিএম

গাজীপুরের জরুন এলাকায় পোশাক  শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত আরেক শ্রমিক মারা গেছেন। শনিবার (১১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. জালাল উদ্দিন (৪০) নামের ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামাল উদ্দিন ইসলামিয়া গার্মেন্টসের সুপারভাইজার ছিলেন। তিনি নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার চাঁন মিয়ার ছেলে। গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

গত ৮ নভেম্বর বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের কোনাবাড়ীর (জরুন) এলাকায় কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা সকাল থেকে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করেন। এ সময় তাদের সরিয়ে দিতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হলে সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় বিক্ষোভকারী শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে।

এতে বেশ কয়েকজন শ্রমিক আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে কোনাবাড়ী পপুলার হাসপাতাল ও কোনাবাড়ী ক্লিনিকে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আঞ্জুয়ারা নামের এক নারী শ্রমিককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সেদিন গুরুতর আহত অবস্থায় শ্রমিক জালাল উদ্দিনকেও ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন জালাল উদ্দিন।

তার মৃত্যুর বিষয়ে কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, “আমরা এখনও এ বিষয়ে জানি না। আপনাদের (সাংবাদিকদের)  মাধ্যমে জানলাম। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।”

গত কিছুদিন ধরে ন্যূনতম বেতন ২৫ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাক শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছেন। ৭ নভেম্বর পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা ঘোষণা করে মজুরি বোর্ড। এ ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শ্রমিকরা।

এদিকে মজুরি বোর্ড ঘোষিত ন্যূনতম মুজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা প্রত্যাখ্যান করে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনায় অন্তত শতাধিক পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।

শনিবার টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের ইউনিক, শিমুলতলা, জামগড়া, ছয়তলা, নরসিংহপুর, নিশ্চিন্তপুর ও জিরাবো-বিশমাইল সড়কের কাঠগড়া আমতলা, বড় রাঙ্গামাটিয়ার অধিকাংশ পোশাক কারখানার গেটে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে কারখানা বন্ধের নোটিশ।

About

Popular Links