Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইসি রাশেদা: বিএনপি নির্বাচনে এলে তফসিল পুনর্বিবেচনা

তফসিল ঘোষণার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেও বিএনপি এবং সমমনা দলগুলো হরতাল-অবরোধের মত কর্মসূচিতে রয়েছে

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৩, ০২:৪৮ পিএম

বিএনপি ও সমমনা দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে প্রয়োজনে তফসিল পুনর্বিবেচনা ও সময় বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।

সোমবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন তিনি।

ইসি রাশেদা বলেন, “উনারা (বিএনপি ও সমমনা দলগুলো) যদি আসেন, আমরা কমিশনাররা বসবো। আইন-কানুন দেখবো। তারপর যেটা সিদ্ধান্ত হয়। অগ্রিম কিছু বলতে পারবো না। আসলে তো বিবেচনা করবোই। অবশ্যই করবো। আমরা তো চাই সব দল এসে একটা সুন্দর নির্বাচন হোক।”

তিনি আরও বলেন, “সংকট সৃষ্টি হওয়ার আগেই যদি উনারা আসেন, কাজেই এখনই কিছু বলবো না। অতীতে যেভাবে হয়েছে আমরা দেখবো। যদি বাড়ানো (তফসিল) প্রয়োজন হয়, আমরা বাড়াবো। যদি বাড়ানোর মধ্যে না হয়ে এমনিই হয়, তাহলে হবে। কোনো অসুবিধা নাই। যদি এই তফসিলের মধ্যেই আসেন, তাহলে তো তফসিলে হাত দেওয়ার দরকার নাই।”

জাপার তফসিল পেছানোর আবেদনের বিষয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “এই বিষয়টাতে আমরা কিছুই বলবো না। অগ্রিম বলার সময় এখনো আসে নাই। যখন আসবে, যেটা হবে সেটাই বলবো। পরিস্থিতি যখন আসবে, পরিস্থিতি দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। অগ্রিম এ বিষয়ে কোনো কথাই বলবো না। বলা উচিত না। উনারা এলে আমরা ওয়েলকাম করবো। এটার জন্য উনাদের জন্য আইন অনুযায়ী যেভাবে পথ সৃষ্টি করতে হবে সেভাবে করবো। কিন্তু আগেই বলবো না।”

রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে রাশেদা সুলতানা বলেন, “আমাদের প্রতি আস্থা রাখেন। আসুন, নির্বাচন করুন। নিঃসন্দেহে আপনারা একটা ভালো সুষ্ঠু, সুন্দর, নির্বাচন করার সুযোগ পাবেন। ভোটাররা এসে স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাদের যাকে ইচ্ছা তাকে মনোনয়ন করবেন। নিশ্চয় আমরা লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবো।”

গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। সেই সূচি অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি হবে দ্বাদশ সংসদের ভোটগ্রহণ। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত, বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। সেক্ষেত্রে মনোনয়নপত্র জমার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে এবং প্রচারের জন্য ১৯ দিন সময় রয়েছে। ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রচার শেষ করতে হয়। অর্থাৎ, ১৮ ডিসেম্বর থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোর সুযোগ থাকবে।

তফসিল ঘোষণার পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেও বিএনপি এবং সমমনা দলগুলো হরতাল-অবরোধের মত কর্মসূচিতে রয়েছে। তাদের দাবি, বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে হবে। তারা বলছে, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের দুটি জাতীয় নির্বাচন বর্তমান সরকারের অধীনে হয়েছে; এই নির্বাচন দুটিকে ঘিরে বিতর্ক রয়েছে।

About

Popular Links