Friday, June 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ফায়ার সার্ভিস: এক মাসে ২১২ গাড়ি ১১ স্থাপনায় আগুন

হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির ঢাকার মহাসমাবেশ পণ্ড হয়। এরপর থেকে দফায় দফায় হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে দলটি

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২৩, ০২:০৭ পিএম

গত ২৮ অক্টোবর থেকে ২৮ নভেম্বর সকাল ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে ১৩২টি বাসসহ মোট ২১২টি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস বলেছে, এক মাসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে ২২৩টি। এর মধ্যে ২১২টি গাড়িতে এবং বাকিগুলো স্থাপনায়।

সর্বশেষ সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫টি যানবাহনে আগুনের খবর পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এর মধ্যে হবিগঞ্জে একটি ট্রাক এবং ঢাকা, টাঙ্গাইল ও খুলনায় একটি করে বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া পাবনার ইশ্বরদী রেল জংশনে ঢাকা কমিউটার ট্রেনের বগিতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট ও ৫০ জন।

ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, গত ২৮ অক্টোবর থেকে ২৮ নভেম্বর সকাল ৬টা পর্যন্ত মোট ২১২টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৩২টি বাসে, ৩৫টি ট্রাকে, ১৬টি কাভার্ড ভ্যানে, ৮টি মোটরসাইকেলে, দুইটি প্রাইভেট কারে এবং ৩টি করে মাইক্রোবাস, পিকআপ, সিএনজি, ট্রেন ও লেগুনায় আগুনের ঘটনা ঘটে। এছাড়া একটি করে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, পুলিশের গাড়ি, নছিমন ও অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেয় দুবৃর্ত্তরা।

এ সময় ১১টি স্থাপনায়ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগ অফিস, বিএনপি অফিস, পুলিশ বক্স, কাউন্সিলর অফিস, বিদ্যুৎ অফিস, বাস কাউন্টার ও শোরুম।

হামলা-সংঘর্ষের ঘটনায় গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির ঢাকার মহাসমাবেশ পণ্ড হয়। এরপর দিন ২৯ অক্টোবর থেকে দফায় দফায় হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। তবে শীর্ষ নেতারা কারাবন্দি, মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয়ে আত্মগোপনে থাকায় এসব কর্মসূচিতে তেমন একটা সাড়া ফেলতে পারছে না দলটি। তফসিলের পর আত্মগোপনে থাকা নেতারা রাজপথে নামার কথা থাকলেও তেমনটি দেখা যায়নি কোথাও।

বিএনপি-জামায়াতের হরতাল-অবরোধের শুরুর দিকে সড়কে যান চলাচল কম থাকলেও ধীরে ধীরে তা বাড়ছে। এমনকি কোথাও কোথাও দূরপাল্লার বাসও চলছে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় না থাকলেও ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসবে তত সহিংসতা বাড়বে। এমনকি প্রাণহানির শঙ্কাও করছেন তারা। তবে সরকার বলছে, যেকোনো ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে তৎপর রয়েছে তারা। গত ২৮ অক্টোবরের পর বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির দিনে সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন ও র‌্যাবের টহল বাড়ানো হয়েছে।

About

Popular Links