Saturday, May 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ডিসকাউন্ট দিয়েও পর্যটক পাচ্ছে না বান্দরবানের চাঁদের গাড়িগুলো

জেলায় পর্যটক পরিবহনের কাজ করে চার শতাধিক চাঁদের গাড়ি, তিন শতাধিক নৌযান

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:২৫ পিএম

নিরাপত্তা ইস্যুতে গত দুই বছর কয়েক ধাপে বান্দরবানে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ছিল। সংকট কাটতে না কাটতেই জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে দেশব্যাপী চলছে হরতাল-অবরোধ। ফলে ভরা মৌসুমে জেলার পর্যটন শিল্পে ধস নেমেছে। পর্যটক নেই শহরের মেঘলা, নীলাচল, বৌদ্ধ জাদি, চিম্বুক, শৈলপ্রপাত, মিলনছড়ি, প্রান্তিক লেকে। থানচি, রুমা, আলীকদম উপজেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলোতেও ভিড় কম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ অক্টোবর থেকে দফায় দফায় অবরোধ-হরতালের কারণে বান্দরবানে আশানুরূপ পর্যটক আসছে না। হোটেল-মোটেলগুলোতে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩০% কম বুকিং হচ্ছে। এই অবস্থায় মালিকরা কর্মচারীদের বেতন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

শহরের হিল ভিউ হোটেলের ম্যানেজার পারভেজ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “শীত মৌসুম চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও বার্ষিক ছুটি। কিন্তু হরতাল-অবরোধের কারণে পর্যটক নেই বললেই চলে।”

ফাইল ছবি: সুংসাংপাড়া, বান্দরবান/ফেসবুক

একই কথা বলেন বান্দরবান হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির অর্থ সম্পাদক রাজীব বড়ুয়া, “আগে ছিল কেএনএফ সংকট, এখন হরতাল অবরোধের কারণে ভরা মৌসুমেও ব্যবসা সংকটে।”

অন্য ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত

প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জেলায় অন্তত ২০ হাজার মানুষ পর্যটন ব্যবসায় জড়িত।

বান্দরবানের পর্যটনকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার বেকার তরুণ কর্মসংস্থান খুঁজে নিয়েছেন। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে তারা কার্যত বেকার। এছাড়া, শীত মৌসুমে পর্যটকদের কাছে বিক্রির জন্য পাহাড়ি নারীরা শাল, গামছাসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করে থাকেন। তাদের বেচাকেনাও কম। স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সকাল থেকে পসরা সাজিয়ে বসলেও ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না।

পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল গাড়ি, বার্মিজ মার্কেট, রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান কোটি কোটি টাকা লোকসান গুণছে। যেসব গাড়ি পর্যটকদের নিয়ে ঘোরে তারা ডিসকাউন্ট দিয়েও যাত্রী পাচ্ছে না। 

বান্দরবান শহরে হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির আওতাভুক্ত ৫৫টি হোটেলসহ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, গেস্ট হাউস রয়েছে। এছাড়াও পর্যটক পরিবহনের কাজ করে চার শতাধিক চাঁদের গাড়ি, তিন শতাধিক নৌযান।

About

Popular Links