Wednesday, May 29, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ছয় কোটি ৩২ লাখ টাকা

পাগলা মসজিদে আরও একটি দানবাক্স বাড়ানো হয়েছে। দানের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় এখন পাগলা মসজিদের দানবাক্সের সংখ্যা নয়টি

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০১:২৯ পিএম

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স থেকে এবার ৬ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ টাকা পাওয়া গেছে। যা এই মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া নগদ টাকার হিসাবে সর্বোচ্চ। এর পাশাপাশি স্বর্ণালংকার ও বৈদেশিক মুদ্রাও আছে।

তিন মাস ২০ দিন পর শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টায় মসজিদের ৯টি দানবাক্স খোলা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এবং কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ।

দানবাক্স খোলা ও গণনাকে ঘিরে মসজিদসহ আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে টাকা গণনা। এতে সহযোগিতা করেন রূপালী ব্যাংকের ৫০ কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় মাদ্রাসার ১১২ জন ছাত্র, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ সদস্য। পরে টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয়।

জেলা প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ বলেন, “ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদে আরও একটি দানবাক্স বাড়ানো হয়েছে। দানের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় এখন পাগলা মসজিদের দানবাক্সের সংখ্যা নয়টি। এবার ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়।”

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ/সংগৃহীত

তিনি আরও বলেন, “এর আগে গত ১৯ আগস্ট মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়। তখন রেকর্ড ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯ হাজার ৩২৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও হীরা পাওয়া গিয়েছিল।”

এ মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়, এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এ মসজিদে দান করে থাকেন।

জনশ্রুতি আছে, এক সময় এক আধ্যাত্মিক সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম-হিন্দু নির্বিশেষে সব ধর্মের লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পীরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এলাকাবাসী।

About

Popular Links