Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রতিবেদন: দেশে ৯ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৭০ জনের মৃত্যু

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল রিসার্চ জানায়, নিহত ৭০ জনের মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আর ৬৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে রাজনৈতিক দলের আন্তঃকোন্দল ও সংঘর্ষে

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:০৪ পিএম

এ বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬,৪০১ জন রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এ বছরের প্রথম ১১ মাসে পুলিশি হেফাজতে ৯৩ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) প্রেসক্লাবে এক সেমিনারে এক জরিপ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায় “সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল রিসার্চ”। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম বদরুদ্দোজা জরিপ প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

সংস্থাটি জানায়, নিহত ৭০ জনের মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আর ৬৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে রাজনৈতিক দলের আন্তঃকোন্দল ও সংঘর্ষে।

সংস্থাটির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২২ সালে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছিলেন ৭,৫৮৮ জন। এরমধ্যে ১২১ জনের প্রাণহানি ঘটেছিল। ওই বছর ক্রসফায়ারে সাতজন, গুলিতে ১৩ জন ও নির্যাতনে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে; আর গুমের শিকার হয়েছেন সাতজন।

হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল রিসার্চের প্রধান অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন। আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মাসদার হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আব্দুল মতিন বলেন, “আমাদের তো অনেক মানবাধিকার আইন রয়েছে। কিন্তু এই আইনগুলো আমাদের এখানে মানা হচ্ছে না। আমরা সব সময় আইনগুলোকে পদদলিত করে আসছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা মনে করি নির্বাচন করলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়ে যাবে। আসলে নির্বাচন করলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না। এখন এই অবস্থা থেকে আমাদের পরিত্রাণ পেতে হবে। তার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

About

Popular Links