Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইসি: ‘সীমাবদ্ধতায়’ সাংবাদিকরাই ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা

ইসি রাশেদা বলেন, ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। আমরা ইতোমধ্যে সে পরিবেশ তৈরি করেছি। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:২৪ পিএম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিকদের সিসি ক্যামেরা বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।

তিনি বলেছেন, “নানা সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে পারিনি। এক্ষেত্রে আমরা সাংবাদিকদের ওপর নির্ভর করছি। সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার কাজ করবেন।”

শনিবার (৩০ডিসেম্বর) দুপুরে নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ইসি রাশেদা বলেন, “সাংবাদিকরা ভোটেকেন্দ্র থেকে লাইভ সম্প্রচার করতে পারবে তবে এক্ষেত্রে যেন ভোট কার্যক্রমে কোনো ক্ষতি না হয় সেটি বিবেচনায় রাখতে হবে। ভোটের পরিবেশ বজায় রাখতে ভোট কেন্দ্রে এক সঙ্গে দুইজন সাংবাদিকের বেশি দায়িত্ব পালন করতে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি লাগবে না। শুধু অবগত করতে হবে।”

রাশেদা সুলতানা বলেন, “ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। আমরা ইতোমধ্যে সে পরিবেশ তৈরি করেছি। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।”

আগামী ৭ জানুয়ারি হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট। বিএনপির বর্জনের এই ভোটে ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি, সহিংসতামুক্ত ও সুষ্ঠু করার তাগাদা রয়েছে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে।

ভোটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১৫ নভেম্বর। ওইদিন ভোটের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। সেদিন থেকেই সংসদে যাওয়ার প্রত্যাশায় সরব হয়ে ওঠে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তবে ভোটের মাঠে প্রচারণা শুরু হয় গত ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে।

বিএনপির না থাকা এই ভোটে ২৭টি দলের ১,৫১৩ জন ও স্বতন্ত্র ৩৮২ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। স্বতন্ত্ররা মূলত ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন পর্যায়ের পদধারী নেতা। জাতীয় পার্টিসহ বেশ কিছু ছোট দল এককভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অনেক আসনে লড়াই হচ্ছে মূলত নৌকার সঙ্গে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্রদের। ফলে শক্তি আর জনসমর্থনের পরীক্ষায় খেই হারাচ্ছেন টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা দলটির প্রতীক পাওয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

ইতোমধ্যে প্রায় ৩০টির বেশি আসনে প্রতিপক্ষের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা, প্রচারে বাধা দেওয়া, মারধর, হামলা, সংঘর্ষ, সহিংসতার তথ্য নানা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। এছাড়া পিরোজপুর, মাদারীপুর ও বরিশালে তিনজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।

আরও ৬ দিন ভোটের প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। সহিংসতা আরও বাড়তে পারে। তবে সব পক্ষ থেকে সহিংসতা না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোটের মাঠের পরিবেশ ঠিক রাখতে তদারকি চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের আচারণবিধি ভঙ্গ করায় বিভিন্ন আসনের নানা প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ, তলব ও জরিমানা করছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তিন শতাধিক প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা ইসির শোকজের মুখে পড়েছেন। এদের মধ্যে শতাধিক হলেন নৌকার প্রার্থী। প্রায় সমান সংখ্যক রয়েছেন প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থক। কোনো কোনো প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা একাধিকবার শোকজের মুখোমুখি হয়েছেন। প্রার্থিতা বাতিল হওয়া বা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোদের মধ্যেও কেউ কেউ ইসির শোকজ পেয়েছেন।

About

Popular Links