Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অ্যাপে দুই ঘণ্টা পর পর কেন্দ্রভিত্তিক ভোটের আপডেট জানাবে ইসি

ইসির অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটার নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম, প্রার্থী, দল ও আসনভিত্তিক তথ্য যেমন পাওয়া যাবে, তেমনি আইনবিধি, ভোট পড়ার হার, ফলসহ নানা ধরনের তথ্যও জেনে নিতে পারবেন ভোটাররা

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:২৮ পিএম

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তৈরি “স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি” অ্যাপের মাধ্যমে ভোটের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে নির্বাচনের কেন্দ্রভিত্তিক ভোট পড়ার হার দুই ঘণ্টা পরপর জানাবে কমিশন।

এছাড়া ভোট শেষে যেসব এলাকা থেকে ভোট গণনার তথ্য পেতে সমস্যা হবে সেগুলো থেকে “ভেরিফায়েড হোয়াটসঅ্যাপ” অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পরিকল্পনা করছে ইসি।

সোমবার (১ জানুয়ারি) ইসির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ইসির সচিব মো. জাহাংগীর আলম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

অ্যাপটির হালনাগাদ করার তথ্য তুলে ধরে ইসি সচিব বলেন, “ভোটকন্দ্রের তথ্য এখনই জানা যাচ্ছে, কার ভোটকেন্দ্র কোনটি এবং লোকেশন কোথায়।”

ইসির অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটার নম্বর, ভোটকেন্দ্রের নাম, প্রার্থী, দল ও আসনভিত্তিক তথ্য যেমন পাওয়া যাবে, তেমনি আইনবিধি, ভোট পড়ার হার, ফলসহ নানা ধরনের তথ্যও জেনে নিতে পারবেন ভোটাররা।

নির্বাচনের দিন দেশের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের গতি কমবে না বলে জানান জাহাংগীর আলম৷ তিনি বলেন, “আমাদের যতগুলো মোবাইল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম আছে সবগুলোই ফুল স্পিডে চালু থাকবে।”

৭ জানুয়ারির ভোটের দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি জানান, সেসময় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে চরাঞ্চল থেকে কুয়াশার কারণে ফলাফলের লিখিত তথ্যের কাগজ আসতে দেরি হতে পারে।

এ জন্য ফল সংগ্রহে বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে জানিয়ে ইসি সচিব বলেন, “তবে ভেরিফায়েড হোয়াটসঅ্যাপে যেন তথ্য নিয়ে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা যায় সে চিন্তাভাবনা চলছে।”

তবে অ্যাপটিতে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল পাওয়া গেলেও পার্বত্য অঞ্চলগুলোর মতো ২০% এলাকা নেটওয়ার্কের বাইরে থাকায় কেন্দ্রীভূত ফলাফল পাওয়া যাবে না বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, “কোনো কারণে ফলাফল পাঠাতে না পারলে ভোটের পারসেন্টেজে গরমিল হয়ে যেতে পারে। তবে সম্ভব হলে আমরা জানাব। আমরা সেখানে বিজিবি, পুলিশের ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করব।”

ভোটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১৫ নভেম্বর। ওইদিন ভোটের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। সেদিন থেকেই সংসদে যাওয়ার প্রত্যাশায় সরব হয়ে ওঠে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। তবে ভোটের মাঠে প্রচারণা শুরু হয় গত ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে। এখন প্রচারণায় রয়েছেন প্রার্থীরা। আগামী ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চালাতে পারবেন তারা।

বিএনপির না থাকা এই ভোটে ২৭টি দলের ১,৫১৩ জন ও স্বতন্ত্র ৩৮২ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

About

Popular Links