Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জাবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রক্টরসহ আহত ৮

সাবেক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদকের মধ্যকার পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৭:৫৬ পিএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসানসহ দুই পক্ষের অন্তত আট জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, "পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক । উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের হলে পাঠানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা করেছে। আবাসিক হলগুলোতে তল্লাশি চালানো হতে পারে।"

প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রাজিব আহমেদ রাসেল বুধবার বিকেলে সস্ত্রীক ক্যাম্পাসে ঘুরতে যান। এ সময় শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল ও তার অনুসারীরা কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে রাজিব আহমেদ রাসেলকে মারধর করেন। 

এ ঘটনার পর ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মারধরের জেরে সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটে শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম মোল্লার অনুসারীদের সাথে সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চলের অনুসারীদের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এসময় উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা রামদা, রড নিয়ে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা করেন। দু’পক্ষের মধ্যে ছয় রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। 

খবর পেয়ে প্রক্টর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে হাজির হন। দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে আহত হন তিনি। 

রাজিব আহমেদ রাসেল ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "খেলার মাঠের পাশে আমি আর আমার স্ত্রী ফুল কিনছিলাম। সেসময় চঞ্চল ও তার অনুসারীরা এসে অতর্কিতভাবে আমার ড্রাইভারকে মারধর করে। পরে তারা আমার স্ত্রী ও আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। আমার ধারণা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের জেরেই তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।"

এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান চঞ্চল বলেন, "রাজিব আহমেদ রাসেল বিভিন্ন সময় ক্যাম্পাসে এসে ছাত্রলীগের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করে। আজ আমি তাকে ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে বললে তার সাথে বাকবিত-া হয়। পরে প্রক্টর স্যার ঘটনাস্থলে আসলে আমি সেখান থেকে চলে আসি। মারধরের ঘটনা ঘটেনি। এর কিছুক্ষণ পর বঙ্গবন্ধু ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের কিছু ছেলে শহীদ সালাম-বরকত হলের সামনে এসে দোকানপাট ভাঙচুর করে, গুলি বর্ষণ করে।"

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারী পদে ৬০ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে এই দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।    


About

Popular Links