Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: সৌদি আরব থেকে যুবদলের দুইজনকে ফেরত আনল ডিএমপি

‘গ্রেপ্তার দুইজন ১৭ বছর ধরে সৌদিতে ছিলেন। সেখানে তারা চাকরির পাশাপাশি ব্যবসাও করেন। দুইজনের কেউই দীর্ঘদিন বাংলাদেশে যাওয়া-আসা করেননি’

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:০৮ পিএম

ইমেইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সৌদি আরব থেকে যুবদলের আটক দুই নেতাকে ঢাকায় ফেরত এনেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিটিটিসির প্রধান মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, “কবির ও বাদল গত ১৬/১৭ বছর ধরে সৌদিতে ছিলেন। সেখানে তারা চাকরির পাশাপাশি ব্যবসাও করেন। দুইজনের কেউই দীর্ঘদিন বাংলাদেশে যাওয়া-আসা করেননি।”

সিটিটিসির প্রধান বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে সৌদি আরবের পুলিশ কবির ও বাদলকে আটক করে গত ২৯ জানুয়ারি ঢাকায় ফেরত পাঠায়। ওই দিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।”

তিনি আরও বলেন, “গত বছরের ১৭ এপ্রিল বিকেল ৪টা ৫৯ মিনিটে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন সেন্টারের ইমেইলে একটি হুমকি বার্তা সম্বলিত ইমেইল আসে। তাতে যা লেখা ছিল, সেটির বাংলা করলে দাঁড়ায়, ‘২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভোর ৪টায় গুলি করা হবে। এই হামলা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাংলাদেশ পুলিশের নেই’।”

আসাদুজ্জামান বলেন, “তৎক্ষণাৎ হুমকি বার্তার ভয়াবহতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলার স্বার্থে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয় এবং ইমেইল পাঠানো ব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সিটিটিসি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সিটিটিসির একটি চৌকস দল অনুসন্ধান এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ শেষে ইমেইল বার্তা পাঠানো ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং হুমকি বার্তা পাঠানো ব্যক্তির নাম দ্বীন ইসলাম বাদল বলে নিশ্চিত হয়।”

আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “ইন্টারনেট (আইপি) অ্যাকটিভিটি পর্যালোচনা করে হুমকির বার্তা দেওয়া ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত হয় সৌদি আরবে। এরপর গত বছরের ২০ এপ্রিল এই ঘটনায় রমনা থানায় মামলাও করা হয়। মামলার আসামি ও সহযোগীদের সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য পুলিশ সদরদপ্তর ইন্টারপোলের মাধ্যমে এবং একই সঙ্গে ডিপ্লোম্যাটিক চ্যানেল ব্যবহার করা হয়।”

তিনি বলেন, “দীন ইসলামের কাছ থেকে হুমকি দেওয়া ইমেইল অ্যাড্রেসটির রিকভারি মোবাইল নম্বরসহ একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। কবির হোসেন সৌদি আরবে এক অংশের যুবদলের সভাপতি আর দীন ইসলাম ওই কমিটির নেতা। জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, কবিরের পরিকল্পনায় দীন ইসলাম এই মেইল পাঠিয়েছে।”

“এই হুমকির সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি-না তা জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই দুইজনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচুর দেশদ্রোহী কন্টেন্ট পাওয়া গেছে।”

About

Popular Links